ভিডিও শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রকাশ : ০৯ জুলাই, ২০২৬ ০২:৪৮ এএম

খলিল’কে নিয়ে ছেলে মূসার স্বপ্ন

অভি মঈনুদ্দীন ঃ বাংলাদেশের প্রয়াত কিংবদন্তী গুনী অভিনেতা খলিল উল্যাহ খান। তাকে নিয়ে তার দ্বিতীয় ছেলে মূসা খান একটি বিশেষ উদ্যোগ নিতে যাচ্ছেন বলে জানালেন। খলিলের জন্ম হয়েছিলো ১৯৩৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি। এক বর্ণাঢ্য অভিনয় জীবন উপহার দিয়ে তিনি মারা যান ২০১৪ সালের ৭ ডিসেম্বর। আগামী ৭ ডিসেম্বর তার মুত্যুর এক যুগ হবে।

এরইমধ্যে মূসা খান সংবাদ মাধ্যমের সাথে আলাপকালে জানালেন তার বাবাকে নিয়ে একটি বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছেন। মূসা খান বলেন,‘ আমাদের দেশেতো আসলে এখন অনেক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান হয়। এসব অনুষ্ঠানের নামে বেশ বাণিজ্যও হয়ে থাকে। অবশ্যই আমি তাদের সাধুবাদ জানাই যারা সত্যিকার অর্থেই গুনী শিল্পীদের সম্মাননা প্রদান করেন। আমার প্রবল ইচ্ছে আমার বাবাকে নিয়ে একটি সম্মাননা পদক চালু করার। এটা এই বাংলার সিনেমাপ্রেমী দর্শক অনায়াসে স্বীকার করবেন যে বাংলাদেশের একজন শক্তিমান, গুনী অভিনেতা ছিলেন আমার বাবা। তো বাবার মারা গেছেন আজ প্রায় এক যুগ। এরইমধ্যে সিনেমার মানুষজনই বাবাকে ভুলে গেছেন। এই দেশের দর্শক তাকে ঠিকই মনে রেখেছেন। এখনো বাবার অভিনীত সিনেমাগুলো টিভিতে প্রচার হলে অনেক দর্শকই আগ্রহ নিয়ে তার অভিনয় উপভোগ করেন। আমরা যেহেতু তার সন্তান, তার পরিবার , আমরাতো তাকে মনে করবোই। কিন্তু আমরা চাই চলচ্চিত্রে আমার বাবার যে অবদান তা যেন এই দেশ, দেশের মানুষ মনে রাখেন। বাবাকে মনে রাখার জন্যই আমার ভাবনা আব্বাকে নিয়ে একটি সম্মাননা পদক চালু করার। এরইমধ্যে আমি বেশকিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। এই ক্ষেত্রে আমাকে শতভাগ সহযোগিতা করছেন এবং ভবিষ্যতেও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন সাংবাদিক অভি মঈনুদ্দীন। কারণ তারসঙ্গে আব্বার জীবনের শেষ কয়েকটি বছর অত্যন্ত সুসম্পর্কের ছিলো এবং নিয়মিত ছিলো। আপাতত এই পদকের নাম রেখেছি খলিল উল্যাহ খান সম্মাননা। চলচ্চিত্রের সত্যিকার অর্থের শিল্পীদের এই সম্মাননায় ভূষিত করা হবে। আমার বিশ্বাস আব্বার নামে এই পদক দিয়ে যথাযথ শিল্পীদের আমরা মূল্যায়ণ করতে পারবো। বাকীটা সময়ই বলে দিবে। ইচ্ছে আছে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি আব্বার জন্মদিনে আব্বার নামে পদক চালু করার।’

আরও পড়ুন

২০১২ সালে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা লাভ করেন। জীবদ্দশায় অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করেছেন এ অভিনেতা। ‘প্রীত না জানে রীত’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন খলিল উল্যাহ খান। তার অভিনীত ছবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সঙ্গম, সোনার কাজল, অশান্ত ঢেউ, বেগানা, পুনম কি রাত, নদের চাঁদ, মাটির ঘর, পাগলা রাজা, ফকির মজনু শাহ, বেঈমান প্রভৃতি। তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে শিল্পী সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুড়িগ্রামে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অসময়ের তরমুজ চাষ, জলবায়ু অভিযোজন পদ্ধতি

ক্যান্সার আক্রান্ত বাবাকে বাঁচানোর লড়াই বিপ্লবের

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দায় ডুবে কিশোরের মৃত্যু

রংপুরে বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন

সরকারের বাইরে কাউকে ট্যাক্স দেয়ার সুযোগ নেই : এসপি, বগুড়া

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে শ্মশানের আধুনিক চুল্লির নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় ভোগান্তি