উৎসবমুখর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা
৩০তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় দর্শনার্থীর ঢল। দেশি-বিদেশি শতাধিক স্টলে পণ্যের বৈচিত্র্য, দরদামের ব্যস্ততা আর কেনাকাটার উৎসব। কোথাও ক্রেতা–বিক্রেতার হিসাব, কোথাও টার্কিশ লাইটে থমকে যাচ্ছে চোখ। পরিবার, তরুণ আর শিশুর কোলাহলে বাণিজ্য মেলা এখন শুধু কেনাকাটার জায়গা নয়, এ যেন শহরের মানুষের মিলনমেলার এক বড় প্রদর্শনী।
রঙিন কাঁচে বন্দি আলো, নরম উজ্জ্বলতায় ঝুলে থাকা ঝাড়বাতি। পূর্বাচলের বাণিজ্য মেলায় যেন আলো হয়ে নেমে এসেছে এক টুকরো তুরস্ক। টার্কিশ লাইটের স্টলগুলোতে এখন শুধু কেনাকাটা নয়, দর্শনার্থীদের ক্যামেরাবন্দি মুহূর্তেও তৈরি হচ্ছে গল্প।
দর্শনার্থীদের একজন গণমাধ্যমে বলেন, ‘এখানে বিদেশি পণ্য বেশিরভাগ। তাই দাম আন্দাজ করতে পারছি না। তবে আমার কাছে পণ্যগুলোর দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে।’
৩০তম আন্তর্জাতিক মেলার ষষ্ঠদিন হলেও শুরুর পর প্রথম ছুটির দিন ছিল গতকাল (শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি)। তাই মেলা প্রাঙ্গণে বেশ ভিড়। ঢাকা ছাড়াও বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন ক্রেতা-দর্শনার্থীরা।
দর্শনার্থীদের অন্য আরেকজন সাংবাদিককে বলেন, ‘আমাদের বাড়ি হবিগঞ্জ। আমরা মেলাতে এসেছি মেলা দেখতে। অনেক ভিডিও দেখেছি এ মেলা নিয়ে। তবে যতটুকু আশা করেছিলাম তেমন পাইনি এ মেলায়।’ তৈরি পোশাক, হস্তশিল্প, চামড়াজাত পণ্য, আসবাবপত্র থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিক্স সবখানেই চলছে দরদাম। চলতি আসরে মেলার মান ও বিক্রেতাদের ব্যবহার নিয়ে সন্তুষ্ট বেশিরভাগ ক্রেতা। তবে পণ্যের দাম নিয়ে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
আরও পড়ুনবিক্রেতারা জানান, ক্রেতা অনেক আছে তবে পণ্য নেয়ার মতো নেই। দোকান ভাড়া, খরচ সব মিলিয়ে তাদের লোকসানের আশঙ্কা করছেন তারা।
ক্রেতা দর্শনার্থী বাড়াতে বিভিন্ন ক্রোকারিজ পণ্যের ব্যবসায়ীরা ছুটির দিনে দিচ্ছেন বিশেষ ছাড়। এছাড়া আসবাবপত্রের স্টলগুলোতেও ছাড় চলছে।
তবে বড়দের পাশাপাশি পছন্দের তালিকায় ছিল খেলনার স্টলগুলো। অন্যান্য দিনে সকাল দশটা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা চললেও ছুটির দিনে মেলা চলে রাত ১০টা পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক



_medium_1767988270.jpg)
_medium_1767987956.jpg)



