ভিডিও রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১৭ এএম

ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ টিমের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বৈঠক

ছবি: সংগৃহীত, ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ টিমের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বৈঠক

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ টিমের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ইইউর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ অবজার্ভার ইভারস আইজাবস, পলিটিক্যাল অ্যানালিস্ট মার্সেল নাগি এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যানালিস্ট ভিওনিয়া মাদালিনা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি দলে ছিলেন সংগঠনের সভাপতি রিফাত রশিদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাশরাফি সরকার, মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম এবং নারী বিষয়ক সেল সম্পাদক নোভা।

বৈঠকে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, আসন্ন নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষভাবে নির্বাচনী পরিবেশ, প্রশাসনের ভূমিকা ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

বৈঠক শেষে মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম জানান, ইইউ প্রতিনিধিরা জানতে চেয়েছেন বাংলাদেশের নির্বাচনী পরিবেশ কতটা অনুকূল, প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে কি না এবং নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতিত্ব করছে কি না। তিনি বলেন, তারা মনে করেন দেশের স্থিতিশীলতার জন্য এই মুহূর্তে নির্বাচন প্রয়োজন হলেও সার্বিক নিরাপত্তা সংকট বিদ্যমান।

হাসিব আল ইসলাম অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত এবং টার্গেট কিলিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তিনি ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড ও কারওয়ান বাজারে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনার কথা উল্লেখ করে এসব বিষয়ে উদ্বেগ জানান।

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন বিএনপি ও জামায়াতের প্রতি তুলনামূলকভাবে সহানুভূতিশীল আচরণ করছে, ফলে ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। ঋণখেলাপি থাকা সত্ত্বেও বড় দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হচ্ছে, অথচ ছোট দলের প্রার্থীদের সামান্য ত্রুটিতে বাদ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে হাসিব বলেন, দলটি বর্তমানে বিচারাধীন এবং জনগণ তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ চায় না। ২০১৩ সালের গণহত্যা ও ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানানো হয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি রিফাত রশীদ বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে সম্ভাব্য সমস্যা সম্পর্কে ইইউ প্রতিনিধিরা জানতে চেয়েছেন। এ সময় মব ভায়োলেন্স, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়া এবং নারীদের বিরুদ্ধে সাইবার বুলিংয়ের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।

তিনি আরও জানান, ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি, তাদের জোট এবং আগামী সরকারের কাছে ছাত্র আন্দোলনের প্রত্যাশা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

জাতীয় পার্টি প্রসঙ্গে রিফাত রশীদ বলেন, দলটি আওয়ামী লীগের অর্থায়নে পরিচালিত এবং তাদের রাজনীতি বহন করছে। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে রাখতে হলে বিচার ও রিকনসিলিয়েশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মুজিববর্ষ উদযাপনে ব্যয় হয়েছিল ৯৮৩ কোটি টাকা: সংসদে অর্থমন্ত্রী

ঢাকা সিটির বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

‘আর্জেন্টিনা ফিফাকে কিনে ফেলেছে হাজার লক্ষ কোটি টাকা দিয়ে’

বৃষ্টিতে ঢাবির হলে হলে পানি : ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

শেষ চারে আর্জেন্টিনা: বগুড়ায় সমর্থকদের উল্লাস

৮১০০ এমএএইচ ব্লুভোল্ট ব্যাটারির ভিভো ওয়াই৫০০, প্রি-অর্ডারে দারুণ অফার