ভিডিও বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৪৩ পিএম

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় কালভার্টের সংযোগস্থলে ধস, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

 রংপুরের গঙ্গাচড়ায় কালভার্টের সংযোগস্থলে ধস, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি : রংপুরের গঙ্গাচড়ায় কালভার্টের সংযোগস্থলের রাস্তা ধসে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। আলমবিদিতর ইউনিয়নের কুতুবপাড়া-তুলশীরহাট সড়কের তুলশীরহাট এলাকায় প্রায় এক মাস ধরে গর্তটি রয়েছে। এতে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে কয়েক হাজার মানুষকে। কাছেই তুলশীরহাট দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয় থাকায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত মেরামত করা না হলে ধসে পড়া অংশ আরও বড় হয়ে কালভার্টের সঙ্গে রাস্তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।

আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, কালভার্টের সংযোগস্থলের একাংশের মাটি সরে গিয়ে আনুমানিক ৮ থেকে ১০ ফুট দীর্ঘ ও ৪ থেকে ৫ ফুট প্রশস্ত গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তার পাশের কিছু অংশের মাটিও ধসে গেছে। বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা আতারুল হক বলেন, প্রায় এক মাস ধরে রাস্তার এই অংশটি ধসে পড়ে আছে। প্রতিদিন অনেক মানুষ এ পথে চলাচল করেন। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর গর্তটি স্পষ্ট দেখা যায় না। দ্রুত মেরামত করা না হলে গর্তটি আরও বড় হতে পারে।

আরেক বাসিন্দা মজমুনা খাতুন বলেন, বাজার, বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় যেতে এই রাস্তা ব্যবহার করতে হয়। একাংশ ভেঙে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বয়স্ক ও শিশুদের নিয়ে চলাচলের সময় বাড়তি সতর্ক থাকতে হয়।

আরও পড়ুন

তুলশীরহাট দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিদ বলে, স্কুলে যাওয়ার সময় গর্তটি পার হতে ভয় লাগে। বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে যায়। তখন এর গভীরতা বোঝা যায় না। তাই প্রতিদিন সাবধানে চলতে হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশিদুল ইসলাম রাজু বলেন, বিদ্যালয়ের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। বিদ্যালয়টি কালভার্টের কাছেই হওয়ায় শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি পার হতে হয়। দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
আলমবিদিতর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হাসানুজ্জামান বলেন, রাস্তার সমস্যার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. জেসমিন আক্তার বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জিও ব্যাগ দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে বিপরীত পাশে নতুন করে যে ক্ষতি হচ্ছে, তা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে সংস্কার করা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালককে (পিডি) ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় কালভার্টের সংযোগস্থলে ধস, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে ইয়ামালের ইতিহাস

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলতে পারে ২০২৯ সালের পরও

লেভানডফস্কির সঙ্গে লড়াইয়ে নতুন কীর্তি মেসির

বৈধ প্রার্থী হিসেবে যোগ্য সবাই স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে : মীর শাহে আলম

সৌদিতে হুতিদের হামলা : ইরানকে সতর্ক করল পাকিস্তান