ভিডিও শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৩৩ এএম

শেরপুরে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ, পলাতক কারবারিরা

সংগৃহীত, শেরপুরে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ, পলাতক কারবারিরা

মফস্বল ডেস্ক : শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ঘোড়ার মাংসের আলামত জব্দ করেছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত কারবারিরা পালিয়ে গেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত রাত একটার দিকে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের পশ্চিম ভালুকা এলাকার ফরহাদের বাড়ির পেছনে ফুলহারি নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফুলহারি এলাকায় একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা দীর্ঘদিন ধরে খোঁজখবর রাখছিলেন।

স্থানীয়দের দাবি, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা ওই এলাকায় তিনটি জবাই করা ঘোড়ার মাংস এবং আরও তিনটি জীবিত ঘোড়া বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান। পরে মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে কারবারিরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

আরও পড়ুন

বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঝিনাইগাতী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাংসের নমুনাসহ প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে।

ঝিনাইগাতী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘তথ্য পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে ঘোড়ার মাংসের আলামত পাওয়া গেছে এবং নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে বাঁধা অবস্থায় কোনো ঘোড়া দেখতে পাইনি। আমাদের পৌঁছানোর আগেই কারবারিরা পালিয়ে গেছেন।’

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘বিষয়টি অধিকতর তদন্ত করে জড়িত কারবারিদের শনাক্ত করা হবে। তাদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম চলমান থাকবে।’

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কারা এবং ঘোড়ার মাংস কোথায় বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শেরপুরে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ, পলাতক কারবারিরা

বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও কমলো

বৃষ্টির পরও ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

লিগ্যাল নোটিশের জবাবে যৌথ প্রতিবাদ শিল্পীদের

নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে নিহত বেড়ে ৪৬৯

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ : মধ্যস্থতার ভূমিকায় এগিয়ে এলো কাতার