১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ
কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়ার তোলা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। নিজের উপজেলায় বরাদ্দকৃত এসব অর্থ ব্যয়ের সকল খাত ব্যাখ্যাসহ, জেলা পরিষদের প্রশাসকের তুমুল সমালোচনা করেছেন তিনি।
গতকাল রোববার (৩১ মে) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে লাইভে আসেন জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। পৌনে ১ ঘণ্টার এই লাইভে দেবীদ্বার উপজেলায় উন্নয়ন কাজে ব্যবহৃত অর্থের পরিপূর্ণ হিসাব দেন সংসদ সদস্য হাসনাত।
মিডিয়া মাফিয়ার আয়নাবাজি শিরোনামে ওই লাইভের শুরুতেই হাসনাতকে মিডিয়ার সমালোচনা করে বলতে শোনা গেছে, বাংলাদেশের মিডিয়া মাফিয়া কিভাবে কাজ করে বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে লাইভে এসেছি। বাংলাদেশের মিডিয়া কিভাবে আপনার কনসার্নকে ম্যানুফ্যাকচার করে, আপনার মতামতকে প্রভাবিত করে আপনার অবচেতন মনে এক ধরনের ধারণা তৈরি করে কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে, কোনো প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে, কোনো বিশেষ আদর্শ সম্পর্কে।
হাসনাত বলেন, রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপির পার্থক্য না বুঝে একজন রাজনৈতিক নেতা বক্তব্য দিয়েছেন। রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপি বরাদ্দের পার্থক্য না বুঝে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছেন। এসব অর্থ প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে, ব্যক্তি হিসেবে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
মাঝরাতের ওই ফেসবুক লাইভে ১৪৮টি প্রকল্পের মাধ্যমে ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার হিসাব দেন হাসনাত।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এটি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রশাসক রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে এই কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন, মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ দেবীদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এনসিপির এ নেতা বলেন, এখানে তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে আছে। এটি চাইলে যে কেউ দেখতে পারে। আমি আগেও যেসব বাজেটে এসেছে, সব হিসাব লাইভে এসে দিয়েছি।
আরও পড়ুনমন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক

_medium_1780309503.jpg)






