বগুড়া-৭ আসনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ধানের শীষের নির্বাচনি এজেন্টের সংবাদ সম্মেলন
স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) নির্বাচনি এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বগুড়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও ধানের শীষের নির্বাচনি এজেন্ট রাকিবুল হাসান পলাশ এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে রাকিবুল হাসান পলাশ বলেন, দীর্ঘদিনের লড়াই-সংগ্রামের পর যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে-সেই নির্বাচন স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নির্বাচন, দীর্ঘদিনের নির্বাসিত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার নির্বাচন, মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের নির্বাচন। আপনারা জানেন, বগুড়ার মাটি ও মানুষের সাথে মিশে আছে জিয়া পরিবারের নাম,তাই বগুড়ায় ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
বগুড়া-৭ আসনেও মোরশেদ মিল্টনের পক্ষে ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এমন অবস্থায় একটি দল নিজেদের নিশ্চিত পরাজয় জেনে মানুষকে বিভ্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করছে, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে, বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করছে। তারা নির্বাচনকে সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, এই আসনের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে বহিরাগত মানুষ জামায়াত-শিবিরের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মসজিদে অবস্থান করছেন। তারা নামাজের পর মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।
আরও পড়ুনখাদ্যসামগ্রী ও টাকা দিচ্ছেন, নারী কর্মীরা ভোটার স্লিপের নামে টাকা দিচ্ছেন। তাদের নারী কর্মীদের আটক করা হলে তিনি মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান। মাঝিরা এলাকায় জামায়াত কর্মী বাবা-ছেলেকে ভোটা কেনার সময় বাধা দেওয়া হলে বিএনপি কর্মীকে মারপিট করা হয়। তিনি বর্তমানে শাজাহানপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। অভিযোগগুলো নিয়ে পুলিশের কাছে গেলে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।
অথচ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজন তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করছে। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতের কর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় দেশিয় অস্ত্র মজুদ করছে। তারা ভোটকেন্দ্রে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের মতো তারা বিভিন্ন অনিয়ম করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে এসব অপকৌশল কঠোরভাবে দমন করে ভোটার ফলাফল বিলম্বিত করার পাঁয়তারা রুখে দেওয়ার আহবান জানানো হয়।
মন্তব্য করুন







