পাবনার চাটমোহরে শৈত্যপ্রবাহে বোরো বীজতলার ক্ষতি
চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি: ঘনকুয়াশা, শৈত্যপ্রবাহ আর পৌষের শীতে পাবনার চাটমোহরে বোরো ধানের বীজতলায় চারার ক্ষতি হচ্ছে। কুঁকড়ে যাচ্ছে ধানের চারা। চারা রক্ষায় কৃষকেরা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখেছেন বীজতলা। গত কয়েকদিনের ঘন কুয়াশা, শৈত্যপ্রবাহ ও শীতের কারণে বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে এ উপজেলায় প্রায় ৫০ হেক্টর জমির চারা নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে আগামী বোরো মৌসুমে চারা সংকটের আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
কৃষি বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সাধারণত ১৮ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা প্রবাহিত হলে বোরোসহ প্রায় সব ফসলের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কিন্তু এ বছর পৌষের শুরু থেকেই চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৮ ডিগ্রি পর্যন্ত ওঠানামা করছে। আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) চাটমোহরে সূর্যের দেখা মিললেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ১২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এই অবস্থায় বোরো ধানের কচি বীজতলার চারাগুলো শৈত্যপ্রবাহ আর ঘন কুয়াশায় আক্রান্ত হয়ে গাঢ় সবুজ থেকে ক্রমেই কুঁকড়ে হলুদাভ হয়ে পড়ছে। কৃষকরা বলছেন, এই অবস্থা আরো এক সপ্তাহ চললে বোরো ধানের চারা তুলে জমিতে রোপণ করার অবস্থায় থাকবেনা।
আরও পড়ুনকৃষি অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চাটমোহরে এবার ৪৯৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের বীজতলায় ধানের চারা দেওয়া হয়েছে। কৃষকেরা জানান, প্রতিবছর বোরো ধানের চারার সংকটের কারণে অনেক জমি পতিত রাখতে হয়। এবছর ঠান্ডায় বীজতলা নষ্ট হচ্ছে, চারা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে রয়েছে তারা। কৃষকের অভিযোগ, কৃষি বিভাগের লোকজন ঠিকমতো তাদের কাছে আসছেনা।
চাটমোহর উপজেলা কৃষি অফিসার কুন্তলা ঘোষ জানান, এবছর চাটমোহরে ৪৯৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। কুয়াশা এবং শৈত্যপ্রবাহের কারণে বীজতলা রক্ষায় আমরা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখার পাশাপাশি রাতের বেলায় বীজতলায় পানি রাখার পরামর্শ দিচ্ছি কৃষকদের। এতে করে ক্ষতির পরিমাণ কম হবে।
মন্তব্য করুন

_medium_1767892227.jpg)
_medium_1767891423.jpg)
_medium_1767890318.jpg)
_medium_1767889152.jpg)
_medium_1767888660.jpg)
