ভিডিও সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রকাশ : ১২ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:২৮ পিএম

বগুড়ায় শিশু আদালতের মামলার রায় কলেজ ছাত্র আশিক হত্যার দায়ে অভিযুক্ত এক শিশুর ১৩ বছরের আটকাদেশ

বগুড়ায় শিশু আদালতের মামলার রায় কলেজ ছাত্র আশিক হত্যার দায়ে অভিযুক্ত এক শিশুর ১৩ বছরের আটকাদেশ

কোর্ট রিপোর্টার : বগুড়ার শাজাহানপুরে কলেজছাত্র শাহরিয়ার ইসলাম রিয়াজ ওরফে আশিক (১৭) হত্যাসহ লাশ গুমের মামলার রায়ে-হত্যার দায়ে অভিযুক্ত শিশু শিমুল আহম্মেদ কাওছার (বিশোর্ধ্ব)কে শিশু আইনে ১০ বছরের আটকাদেশ এবং লাশ গুমের দায়ে আরও তিন বছরের আটকাদেশ প্রদান করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিমুল আহম্মদ কাওছারের বিরুদ্ধে আটাকাদেশসমূহ ধারাবাহিকভাবে কার্যকর হবে মর্মে রায়ে উল্লেখ করা হয়। ফলে অভিযুক্ত কাওছারকে ১৩ বছর আটক থাকতে হবে। অভিযুক্ত শিশুর বর্তমান বয়স বিশোর্ধ্ব বছর হওয়ায় শিশু আইনের বিধান মোতাবেক তাকে দোষী সাব্যস্তকরণ পরোয়ানামূলে বগুড়া জেলা করাগারে প্রেরণের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আদেশের অনুলিপি বগুড়ার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কোর্ট পুলিশ বরাবরে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বগুড়ার ১ম শিশু আদালতের (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নং-১ এর) বিচারক মো. আনোয়ারুল হক আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) এই মামলার রায় দেন।

উল্লেখ্য, শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের পরাণবাড়িয়ার শফিকুল ইসলাম ও আরজি খাতুনের বড় ছেলে শাহরিয়ার ইসলাম রিয়াজ ওরফে আশিক শেরপুর ডিগ্রি কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্র। আশিকের বাবা ঘটনার ১০ বছর আগে থেকে বিদেশে থাকেন। বিগত ২০২৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার দিকে শাহরিয়ার ইসলাম রিয়াজ ওরফে আশিক সাঘাটায় মাছের মেলায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি হতে বের হয়।

আরও পড়ুন

এরপর সে বাড়িতে ফিরে না আসলে বাড়ির লোকজন তার খোঁজ করতে থাকে। পরের দিন ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টার দিকে তার ছোট ভাই জমিতে কাজ করতে গিয়ে রামপুর পুর্বপাড়ার আব্দুস সামাদের ভুট্টার জমিতে শাহরিয়ার ইসলাম রিয়াজ ওরফে আশিকের রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখে বাড়িতে সংবাদ দেয়।

এসংবাদ পেয়ে তার মাসহ লোকজন এসে শাহরিয়ার ইসলাম রিয়াজ ওরফে আশিকের লাশ শনাক্ত করে। আশিককে ধারালো অস্ত্রের উপর্যুপরি আঘাতে হত্যা করে গুমের জন্য ওই ভুট্টার জমিতে ফেলে রাখে। এ ব্যাপারে নিহত আশিকের মা আরজি খাতুন বাদি হয়ে শাজাহানপুর থানায় এই মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ অভিযুক্ত শিশু আহম্মেদ কাওছারকে আটক করলে এই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটিত হয়। মামলাটি তদন্ত শেষে পুলিশ ইন্সপেক্টর আরিফুল আসলাম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি পরিচালনা করেন, বাদি রাষ্ট্রপক্ষে ওই আদালতের পিপি এড. সুফিয়া বেগম কোহিনুর এবং অভিযুক্ত শিশুর পক্ষে এড. বেবী খাতুন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বগুড়ায় শিশু আদালতের মামলার রায় কলেজ ছাত্র আশিক হত্যার দায়ে অভিযুক্ত এক শিশুর ১৩ বছরের আটকাদেশ

১

চকবাজারে আরেকটি ভবনে ছড়িয়েছে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১০ ইউনিট

২

ঢাকায় নিয়োগ দিচ্ছে ইজি ফ্যাশন, লাগবে না অভিজ্ঞতা

৩

সৌদি আরবে বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

৪

‘জেদ্দায় পৌঁছে ফোন দেব’ : স্বামীর অপেক্ষায় থাকা কাকলি পেলেন লা ‘শে’র খবর

৫

‘হাওয়া হাওয়া’য় নতুনরূপে অলংকার

৬