ভিডিও মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রকাশ : ০৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:২০ পিএম

টিসিএল গ্লোবাল এআই মোবাইল অ্যাপ: উচ্চশিক্ষায় নতুন মাইলফলক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক শিক্ষার স্বপ্ন পূরণে কাজ করছে টিসিএল গ্লোবাল

বর্তমান সময়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রতি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। সঠিক দিকনির্দেশনা, বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, ভিসা প্রসেসিং এবং ক্যারিয়ার পরিকল্পনার জন্য নির্ভরযোগ্য এডুকেশন কনসালটেন্সির গুরুত্বও বেড়েছে। এই খাতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে টিসিএল গ্লোবাল। ২০১১ সালে যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথের একটি ছোট অফিস থেকে যাত্রা শুরু করে টিসিএল গ্লোবাল, লক্ষ্য ছিল বিশ্বমানের শিক্ষাকে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া। আজ প্রতিষ্ঠানটি ১৫টিরও বেশি দেশে ২৪টি অফিসের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে এবং ইতিমধ্যে ১০,০০০-এরও বেশি শিক্ষার্থীকে বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।

উচ্চশিক্ষার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করতে টিসিএল গ্লোবাল তৈরি করেছে একটি মোবাইল অ্যাপ, যা যুক্তরাজ্যের UKRI Innovate UK-এর সহযোগিতায় নির্মিত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত এই অ্যাপে রয়েছে ১০,০০০-এরও বেশি কোর্স অনুসন্ধানের সুবিধা, রিয়েল-টাইম আবেদন ট্র্যাকিং, কাউন্সেলরদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা এবং ব্যক্তিগতকৃত বিশ্ববিদ্যালয় সুপারিশ। অ্যাপ স্টোর ও গুগল প্লে স্টোরে ‘TCL Global’ লিখে সার্চ করলেই অ্যাপটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে।এই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে শিক্ষার্থীরা এখন ঘরে বসেই কোর্স অনুসন্ধান, আবেদন এবং পুরো প্রক্রিয়া ট্র্যাক করতে পারছেন। অ্যাপে সংযুক্ত এআই কাউন্সেলর সপ্তাহের সাত দিন, চব্বিশ ঘণ্টা শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন জিজ্ঞাসার উত্তর দিয়ে থাকে।ব্যক্তিগত নির্দেশনার সঙ্গে স্মার্ট প্রযুক্তির সমন্বয়ে শিক্ষার্থী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও সম্প্রসারণযোগ্য রাখাই টিসিএল গ্লোবালের লক্ষ্য। প্রতিষ্ঠানের ফোকাস স্পষ্ট, শিক্ষার্থীদের সাফল্য অর্জনে সহায়তা করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে একটি সংযুক্ত বৈশ্বিক শিক্ষা ইকোসিস্টেমে সম্প্রসারিত হতে সক্ষম করা। প্রতিষ্ঠানটির মতে, সঠিক তথ্য ও দিকনির্দেশনার অভাবে অনেক শিক্ষার্থী বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ হারান। এই সমস্যার সমাধান এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই ছিল টিসিএল গ্লোবাল প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য।

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এবং মালয়েশিয়াসহ অন্যান্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করছে এবং শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী সর্বোত্তম বিকল্প খুঁজে দেওয়ার চেষ্টা করছে।টিসিএল গ্লোবালের মতে, সঠিক তথ্যের অভাবে অনেক শিক্ষার্থী ভুল সিদ্ধান্ত নেন। এর পাশাপাশি ডকুমেন্টেশনে ভুল, আর্থিক পরিকল্পনার ঘাটতি এবং ভিসা ইন্টারভিউ নিয়ে ভীতিও একটি সাধারণ সমস্যা। প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে তারা মনে করে শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জনকে। ইতিমধ্যে অনেক শিক্ষার্থী তাদের মাধ্যমে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়ে সফলভাবে ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন। টিসিএল গ্লোবাল মনে করে, ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীরা শুধু ডিগ্রি অর্জনেই সীমাবদ্ধ থাকবেন না, বরং গ্লোবাল স্কিল অর্জনের দিকেও অধিক গুরুত্ব দেবেন। বিদেশে পড়াশোনায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রতিষ্ঠানটির পরামর্শ আগে থেকেই পরিকল্পনা করা, নিজের আগ্রহ ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য অনুযায়ী বিষয় নির্বাচন করা এবং একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের পরামর্শ নেওয়া। প্রতিষ্ঠানটি আরও নতুন দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করার পরিকল্পনা করছে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল কাউন্সেলিং ও অনলাইন সাপোর্ট আরও শক্তিশালী করতে চায়।

আরও পড়ুন

 বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মেধা ও সম্ভাবনা অপরিসীম। প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য প্রতিটি শিক্ষার্থীকে তাঁর স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ করে দেওয়া এবং পুরো প্রক্রিয়াকে সহজ, স্বচ্ছ ও ঝামেলামুক্ত করা।“টিসিএল গ্লোবাল শুধু একটি শিক্ষা পরামর্শ কোম্পানি নয়,আমরা একটি সেতু। আমরা শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করি। বিশ্বাস, প্রযুক্তি এবং দলীয় প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা বৈশ্বিক শিক্ষাকে অর্জনযোগ্য ও আরও সহজলভ্য করে তুলি। আমাদের লক্ষ্য শুধু শিক্ষার্থীকে বিদেশে পাঠানো নয় বরং তাদের জন্য একটি সফল আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের পথ তৈরি করা। এই যাত্রার অংশ হওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।”

বাংলাদেশ হটলাইন নম্বর: +৮৮০ ৯৬১০ ৯৩০ ০০৩

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মণিরামপুরে বৃদ্ধ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা! পুলিশ হেফাজতে স্ত্রী

১২ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

ফরিদপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু

খুলনায় ট্রাক-ইজিবাইকের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৮

মারা গেছেন আফগান পেসার শাপুর জাদরান

তরুণদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস কমে যাচ্ছে কেন