গতকাল সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কুমিরাঘোনা এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোনার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন- চুনতি ইউনিয়নের বড়ঘোনা এলাকার শাহ আলমের ছেলে কাইয়ুম শরিফ (১৯) এবং বড়হাতিয়া ইউনিয়নের কুমিরাঘোনা এলাকার হামিদ হোসেনের ছেলে মো. আকিব (২০)। তারা দুজনই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক।
আকিবের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অটোরিকশা যোগে একটি পাহাড়ি সন্ত্রাসী গ্রুপের খাদ্যসামগ্রী বহন করতেন আকিব। সম্প্রতি তিনি তাদের মালামাল পরিবহণে অস্বীকৃতি জানান। এর জেরে তাকে গুলি করা হয়েছে। আকিবের হাত ও পেটে গুলি লেগেছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে কাইয়ুম শরিফ জানান, তিনি চুনতি বাজার থেকে ভাড়া নিয়ে ঘোনার মোড় এলাকায় যান। যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে পিঠের বিভিন্ন স্থানে গুলি লাগে তার। তবে কারা এ হামলা চালিয়েছে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
আরও পড়ুন
স্থানীয়দের অভিযোগ, পাহাড়ঘেঁষা এলাকাগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী তৎপরতা ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটলেও ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতে চান না। সম্প্রতি এ দুই গুলির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আবদুল্লাহ আল ফাহিম জানান, গুলিবিদ্ধ দুই যুবককে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
লোহাগাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, দুটি ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ। তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।