ভিডিও বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:২১ দুপুর

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সংসদীয় বিতর্কের প্রস্তাব রুমিন ফারহানার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সংসদীয় বিতর্কের প্রস্তাব রুমিন ফারহানার, ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সই হওয়া বাণিজ্য চুক্তি সংসদে তোলার দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে সই হওয়া এই চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ধারা রয়েছে বলে তখন আপত্তি উঠেছিল। সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এটি বাতিলও করতে পারে।

আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে রুমিন ফারহানা পয়েন্ট অব অর্ডারে এ কথা বলেন। রুমিন ফারহানা বলেন, গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যমন্ত্রীর একটি বৈঠক হয়েছে এবং সেই বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আমাদের আমেরিকার সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে সেই বিষয়ে তিনি বেশকিছু কথা বলেছেন। তিনি জানান, ওই বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির ঘাটতি, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমরা রপ্তানি করি, আমেরিকা থেকে সে পরিমাণ পণ্য আমরা আমদানি করি না, যে কারণে একটা বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে বিরাট এবং এই বাণিজ্য ঘাটতি পূরণের লক্ষে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে। চুক্তি সইয়ের সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, আমরা জানি যে ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। তখন দেশের সুশীল সমাজ ও থিংক ট্যাংক মহল থেকে বলা হয়েছিল, একটি অনির্বাচিত সরকার এ ধরনের চুক্তি সই করতে পারে না। রুমিন ফারহানা বলেন, এই চুক্তিতে অনেকগুলো ক্লজ আছে যেটা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী। সুতরাং নির্বাচনের পরে যখন একটি নির্বাচিত সরকার আসবে তখন যেন এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু আনফরচুনেটলি আমরা দেখলাম যে না অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শোনে নাই এবং ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

আরও পড়ুন

এ সময় রুমিন ফারহানাকে থামিয়ে দিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এটি কোন পয়েন্ট অব অর্ডার হল না। পয়েন্ট অব অর্ডার সংসদের চলমান বিষয়ের ওপরে হতে হয় কিংবা সংসদ কাজে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য হতে হয়। আপনি একটি নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। আপনি নোটিশ দেন, এটি বিবেচনা করে দেখা হবে। স্পিকারের বক্তব্যের পরও রুমিন ফারহানা আরও এক মিনিট সময় চান। তখন তিনি বলেন, এই টি ৬০ দিনের মধ্যে যদি সরকার চায় তারা এটিকে বাতিল করতে পারে। চুক্তিটি সংসদে আনা হোক। তবে স্পিকার সেটি গ্রহণ করেননি।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সংসদীয় বিতর্কের প্রস্তাব রুমিন ফারহানার

নীলফামারীতে মেডিকেল কলেজ-হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ এবং নওগাঁর কাজ প্রক্রিয়াধীন

বরিশালে বিদ্যালয়ে বজ্রপাতে জ্ঞান হারিয়ে অসুস্থ ১৫ শিক্ষার্থী

রেকর্ড ৯ গোলের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জয় পিএসজি’র

বিশ্ব নাচে ছন্দময়, আসবে শান্তি কাটবে ভয় 

শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি: ইরানের সেনাবাহিনী