ভিডিও বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২

প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:২৯ রাত

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে যমুনায় নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকার, ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জেলেদের

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে যমুনায় নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকার, ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জেলেদের

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার যমুনায় চলছে সরকারিভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন জাল দিয়ে মাছ ধরার মহোৎসব। এর কারণে মৎস্য সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত মৎস্যজীবীগণ। বেপরোয়া মৎস্য নিধন বন্ধে তারা সংশ্লিষ্ট বিভাগের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সরেজমিন যমুনায় গিয়ে দেখা গেছে, সরকারিভাবে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী, গুলিজাল, কোনাজাল, কারেন্ট জাল এবং ব্যাটারির সাহায্যে বিদ্যুতায়িত করে  এক শ্রেণির লোক দিন-রাত অবাধে যমুনায় মাছ শিকার করছে। বিশেষ করে গুলিজাল এবং ব্যাটারি দিয়ে বিদ্যুতায়িত করে মাছ ধরার কারণে বড় মাছের সাথে অগণিত ছোট ছোট পোনাজাতের মাছ মরে যাচ্ছে। এসব মরা মাছ পঁচে গলে যমুনার পানিতে মিশে যাচ্ছে। সরকারিভাবে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও কোনাজাল দিয়ে  জাটকা ইলিশ ধরা অব্যাহত রয়েছে।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় কাজিপুরের শুভগাছা ইউনিয়নের সীমানা সংলগ্ন ভাটিতে সদরের রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা এলাকার যমুনায় সরকারিভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত গুলিজাল দিয়ে মাছ ধরতে দেখা গেছে। এমনিভাবে মনসুরনগর, খাসরাজবাড়ী, নিশ্চিন্তপুর এলাকায় যমুনার পানি কমে যাওয়ায় অবাধে চলছে নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকার।

আরও পড়ুন

কাজিপুর উপজেলার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাসান মাহমুদ জানান, নিষিদ্ধ জাল ও ব্যাটারির সাহায্যে বিদ্যুতায়িত করে মাছ ধরার বিষয়টি অবগত হয়েছি। খুব তাড়াতাড়ি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সদর মৎস্য কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন জানান, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মাছ শিকারিদের নিষেধ করেছি। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে যমুনায় নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকার, ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জেলেদের

কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে অধ্যাদেশ অনুমোদন

সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সিরাজগঞ্জে একই দলের প্রার্থী মামা-ভাগ্নে

ফেনীতে শিশু নাষিদ হত্যা মামলার রায়ে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণে ৫১৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ পাবে বাংলাদেশ