ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবন থেকে লাফিয়ে নিচে পড়ে নাজমিন আক্তার নামে এক রোগী আত্মহত্যা করেছেন। তিনি কিডনি, হার্টের সমস্যাসহ নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি ছিলেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চর বিশ্বাস গ্রামের জালাল খন্দকারের মেয়ে নাজমিন। জুবায়ের হোসেন নামে ৪ মাস বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে তার।
নিহতের বাবা দিনমজুর জালাল খন্দকার জানান, ১ সপ্তাহ আগে নাজমিনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ৮ম তলায় ৮০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। কিডনি, হার্টের সমস্যাসহ নানা শারীরিক সমস্যা ছিল তার।
এর আগেও আড়াই মাস হাসপাতালটিতে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছিল।
রোববার সন্ধ্যায় বাবা জালাল খন্দকার খাবার পানি সংগ্রহের জন্য ওয়ার্ড থেকে নিচে নামেন। এর কিছুক্ষণ পর নাজমিন তার মা শিল্পী বেগমকেও পানি আনতে নিচে পাঠিয়ে দেয়। বাবা পানি নিয়ে ভবনটিতে উঠার পথে নিচে মানুষের জটলা দেখতে পান।
এগিয়ে গিয়ে দেখেন, তার মেয়েই মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। তখন জানতে পারেন, ভবনটির ওপর থেকে কিছুক্ষণ আগেই লাফিয়ে নিচে পড়েছে নাজমিন।
আরও পড়ুন
নতুন ভবনের ওয়ার্ড মাস্টার মো. রিয়াজ উদ্দিন জানান, নাজমিন মেডিসিন বিভাগে ভর্তি থাকা রোগী। ৮ম তলা থেকে লাফ দিয়ে নিচে পার্কিংয়ে থাকা একটি প্রাইভেটকারের ওপর পড়ে সে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। হাসপাতাল পরিচালককে ঘটনাটি জানানো হয়েছে। এছাড়া শাহবাগ থানা পুলিশকেও জানানো হয়েছে।