ভিডিও শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৩:৩৫ দুপুর

পোস্টারের ওপর নিষেধাজ্ঞা, রংপুরে মুদ্রণ শিল্পে তেমন ব্যস্ততা নেই

পোস্টারের ওপর নিষেধাজ্ঞা, রংপুরে মুদ্রণ শিল্পে তেমন ব্যস্ততা নেই, ছবি: সংগৃহীত।

রংপুর প্রতিনিধি : আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের পোস্টার ছাপানোর ওপর নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় রংপুরের ছাপাখানাগুলোতে তেমন কোন ব্যস্ততা নেই বললেই চলে। তবে যতটুকু কাজ হচ্ছে তা শুধু  হ্যান্ডবিলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অতীতে প্রতিটি ছাপাখানায় নির্বাচনকে ঘিরে প্রেস মালিক ও শ্রমিকেরা বাড়তি আয় করলেও এবার তেমনটা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন এর সাথে সংশ্লিষ্ট মালিক ও শ্রমিকেরা। প্রতিটি নির্বাচনের সময় ছাপাখানা গুলোতেও উৎসবমুখর পরিবেশে দেখা যেত। কিন্ত এবার সেটা নেই। 

রংপুর নগরীর বিভিন্ন ছাপাখানায় গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে কর্মরত শ্রমিকেরা শুধু প্রার্থীর লিফলেট ছাপানোর কাজ করছেন। তারা জানান এবার আমাদের কাজের তেমন কোন ব্যস্ততা নেই।প্রেস মালিক খোকন চন্দ্র জানান, এবার ভেবেছিলাম নির্বাচনে পোস্টার ছাপিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারবো, হবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধ থাকায় এবার কোন পোস্টার ছাপানো যাবেনা। তিনি হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, ছাপাখানার মালিক  শ্রমিকেরা নির্বাচন আসলে অধীর আগ্রহ অপেক্ষা করেন পোস্টার ছাপার জন্য। এতে কিছু বাড়তি আয় রোজগার হয়। কিন্তু এবার তা হচ্ছে না।

রংপুর প্রেসের স্বত্বাধিকারী শাহ বায়েজিদ বলেন, অনেক সময় শ্রমিকদের বেতন তুলতে হিমশিম খেতে হয়। প্রতিটি নির্বাচনে পোস্টার ছাপিয়ে সেই ঘাটতিটা পূরণ হয় ছাপাখানাগুলোর। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য এবার তা আর হচ্ছে না।

বাংলাদেশ মুদ্রণ মালিক সমিতি রংপুর জেলা সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ছাপাখানা আছে প্রায় ৬৫টির মতো। অবশ্য কোন কোন ছাপাখানায় দুই তিনটি মুদ্রণ মেশিনও আছে।  মুদ্রণ শ্রমিকের সংখ্যা আট শতাধিকের মতো। নাম না প্রকাশ করার শর্তে ছাপাখানার সাথে সম্পৃক্ত একাধিক ব্যক্তি বলেন, পিভিসি (প্লাস্টিক) ব্যানার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে কিন্তু কাগজের পোস্টার কিভাবে পরিবেশের ক্ষতি করে তা তারা কিছু বুঝছেন না। এই অজুহাতে পোস্টার ছাপানো বন্ধ করা কতটা যুক্তিযুক্ত হয়েছে তারা প্রশ্ন রাখেন।

আরও পড়ুন

রংপুর জেলা মুদ্রণ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খোকন সরকার বলেন, নির্বাচন কমিশন যেহেতু পোস্টার ছাপানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তাই আমরা তা পালন করছি। এতে ছাপাখানাগুলোতে নির্বাচনের তেমন কাজ নেই বললেই চলে। যা আছে শুধু হ্যান্ডবিল তৈরির কাজ। এতে ছাপাখানা তেমন লাভ হবে না বললেই চলে। 

১ হাজার হ্যান্ডবিল ছাপাতে খরচ হয় ৩শ’ থেকে ৩৫০ টাকা। সেখানে ১ হাজার পোস্টার ছাপাতে খরচ হয় ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা। গত সংসদীয় নির্বাচনে ছাপাখানাগুলো নিম্নে ১০ লাখ থেকে ৩০ লাখ পর্যন্ত প্রার্থীদের পোস্টার ছাপিয়েছিল। তিনি বলেন, প্রার্থীরা কাপড়ের ব্যানার ছাপাতে পারলেও রংপুর জেলায় কাপড়ের ব্যানার ছাপানোর মেশিন আছে মাত্র একটি। ফলে সকলের পক্ষে কাপড়ে ব্যানার ছাপা সম্ভব হচ্ছে না। 

 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পোস্টারের ওপর নিষেধাজ্ঞা, রংপুরে মুদ্রণ শিল্পে তেমন ব্যস্ততা নেই

রামুতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে : নাসীরুদ্দীন

বিগ ব্যাশে কেমন করলেন রিশাদ

প্রাইমারি শিক্ষকদের মোর কোয়ালিফাই করতে চাচ্ছি : তারেক রহমান

ইউক্রেনে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার