ভিডিও বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

প্রকাশ : ২১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১২:৪১ রাত

বিশ্বকাপে টিকে থাকতে যে সমীকরণ বাংলাদেশের সামনে

ছবি: সংগৃহীত, বাংলাদেশের সামনে

স্পোর্টস ডেস্ক : হার দিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের এবারের আসর শুরু করেছে বাংলাদেশ। ঘুরে দাঁড়াতে দ্বিতীয় ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হলো আজিজুল হাকিম তামিমের দলকে। ফলে কঠিন হয়ে গেছে বাংলাদেশের সুপার সিক্সের সমীকরণ।

মঙ্গলবার বুলাওয়েতে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে শুরুতে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম। ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। ইকবাল হোসেন ইমনের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন হুগো ভোগ। ৮ রান করে এই ওপেনার সাজঘরে ফিরলে ভাঙে ১১ রানের উদ্বোধনী জুটি।

দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় কিউইরা। আরিয়ান মানকে সঙ্গে নিয়ে অধিনায়ক টম জুনস দলকে ভিত গড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। শুরুর পাওয়ার প্লেতে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫১ রান তুলে তারা। পাওয়ার প্লের পরপরই ম্যাচে হানা দেয় বৃষ্টি। এরপর কয়েক দফা বৃষ্টি কমলে মাঠ কর্মীরা মাঠ প্রস্তুত করার চেষ্টা করেন। তবে থেমে থেমে বৃষ্টি আসায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করেন ম্যাচ রেফারি।

আরও পড়ুন

ম্যাচ পরিত্যাক্ত হওয়ায় এক পয়েন্ট করে পেয়েছে দুই দলই। বাংলাদেশ সবমিলিয়ে ২ ম্যাচ খেলে এক পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে আছে। এতে সুপার সিক্সে পা রাখতে শেষ ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের।

আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এ ম্যাচে বাংলাদেশ জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে তিন। আর যুক্তরাষ্ট্রের পয়েন্ট হবে এক। তাতে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সুপার সিক্সে যাবে বাংলাদেশ। আর যদি বৃষ্টিতে ম্যাচটি ভেসে যায়, তাহলেও নেট রানরেটে এগিয়ে থাকায় সুপার সিক্সে যাবে বাংলাদেশ। তবে হারলে বাদ পড়বে বাংলাদেশ। তখন যুক্তরাষ্ট্র খেলবে সুপার সিক্সে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্বকাপে টিকে থাকতে যে সমীকরণ বাংলাদেশের সামনে

নেতানিয়াহুকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন তারই বাল্যবন্ধু

আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা

রংপুরের সমর্থক ও মালিকপক্ষের কাছে দুঃখ প্রকাশ করলেন লিটন

সোনার দাম এক লাফে বাড়লো ৫২৪৯ টাকা, ভাঙলো অতীতের সব রেকর্ড

রাজশাহীতে ব্যতিক্রমধর্মী ‘রোদ পোহানো উৎসব’