ভিডিও মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:৪৮ রাত

দিলদারের নায়িকা হতে আমাকে সবাই নিষেধ করেছিল : নূতন

নূতন

বিনোদন ডেস্কঃ নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা দিলদার। চলচ্চিত্রে যার উপস্থিতি মানে হাসি। তার অভিনয় দেখে দুঃখ ভুলেছেন কোটি কোটি দর্শক। পর্দায় তাকে দেখে হাসবেন না এমন দর্শক পাওয়া কঠিন। যতক্ষণ তিনি অভিনয় করবেন, ততক্ষণই মুগ্ধ হয়ে সবাই শুধু তাকেই দেখবেন। কৌতুক অভিনেতার তকমা পেরিয়ে নায়কের ভূমিকায়ও পাওয়া গেছে তাকে। ‘আব্দুল্লাহ’ সিনেমায় নায়ক হয়েও সাফল্য পেয়ে চমকে দিয়েছিলেন তিনি। নির্মাতার কাছে নায়কের প্রস্তাব পেয়ে অবাক হয়েছিলেন তিনি।

তোজাম্মেল হক বকুলের প্রস্তাব পেয়ে দিলদার বলেন, আপনি কি আমার পেটে লাথি দিতে আসছেন? এই সিনেমা করার পর তো আমার কৌতুকের জায়গাটাও হারিয়ে যাবে। আমার তো আর কাজই থাকবে না। বউ-বাচ্চা নিয়ে তখন কই যাব? অনেক অনুরোধের পর রাজি হন দিলদার।

নাদের খান বলেন, তবে দিলদারের বিপরীতে কে হবেন নায়িকা? এ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল জটিলতা। প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মৌসুমী, শাবনূরসহ বেশ কয়েকজন নায়িকা। এরপর নূতনের কাছে প্রস্তাব নিয়ে যান নির্মাতা। সম্মতি জানান তিনি।

আরও পড়ুন

দিলদারের সঙ্গে সিনেমা নিয়ে নায়িকা নূতন বলেন, দিলদার যখন চলচ্চিত্রে আসেনি তখন থেকেই আমি ওনাকে চিনি। এরপর তার সঙ্গে অনেক কাজ করেছি। নায়ক হিসেবে তাকে পেয়েছি ‘আব্দুল্লাহ’ সিনেমায়। এই সিনেমায় রাজি হওয়ার পর প্রায় সবাই আমাকে নিষেধ করেছে। নায়িকা হিসেবে তার সঙ্গে কাজ করতে রাজি হয়েছি আমার নিজের জন্য। কারণ, আমি নায়িকা, নির্মাতা যদি রাস্তার একজন মানুষকে আমার পাশে নিয়ে দাঁড় করান, তার সঙ্গে অভিনয় করা আমার দায়িত্ব। আমার জায়গায় আমি সঠিক ছিলাম। কাজটা শেষ হওয়ার পর বুঝেছি দর্শক আমাকে কতটা ভালোবাসেন। সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৯৭ সালে। প্রযোজক জানান, সে সময় আব্দুল্লাহ প্রায় ৫ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দিলদারের নায়িকা হতে আমাকে সবাই নিষেধ করেছিল : নূতন

দেড় যুগ পর বগুড়া সান্তাহার সাইলো সড়কের পুনর্নির্মাণ কাজের দরপত্র আহবান

সেরাদের সেরা টুশি একের পর এক ব্যস্ত স্টেজ শো’তে

বগুড়ায় রিকশায় ফেলে যাওয়া লাগেজ ফেরত পেয়ে লিবিয়া প্রবাসীর চোখে আনন্দঅশ্রু

আনছেন ভাঙা বাইক, নিয়ে যাচ্ছেন মজবুত করে

সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ইরানে নিহত অন্তত ২০০০