ভিডিও সোমবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২

প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:১৩ রাত

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীত বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীত বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ

করতোয়া ডেস্ক : গত কয়েকদিন ধরেই মিলছে না সূর্যের দেখা। ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বোরো ধানের বীজতলা হলুদ ও বিববর্ণ রঙ ধারণ করছে। কোল্ড ইনজুরি দেখা দেওয়ায় চলতি বোরো মৌসুমে চারার সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এতে ব্যাহত হতে পারে বোরো চাষের আবাদ। ফলে কৃষকের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ। তবে কৃষি অফিস জানায়, এ ব্যাপারে ক্ষতি কমিয়ে আনতে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌরসভার নারিকেলবাড়ী, বাকরের হাট, নাওডাঙ্গা, রাজারামক্ষেত্রী, গুনাইগাছ ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়ী, চার গাবেরতল, শুকদেব কুন্ড বজরা ইউনিয়নের কালপানি বজরা, সাদুয়া দামারহাট, তবকপুর ইউনিয়নের বামনা ছড়া, উমানন্দ, বড়ূয়া তবকপুর, হাতিয়া ইউনিয়নের নতুন অনন্তপুর, ভাটিগ্রাম থেতরাই ইউনিয়নের দড়ি কিশোরপুর, গোড়াই পিয়ার সাতদরগাহ, ধরণীবাড়ী ইউনিয়নের দাড়ারপাড়, মধুপুর, মালতিবাড়ী দিঘরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে বোরো ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ হাজার ৫৩০ হেক্টর। বীজতলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৩০৬ হেক্টর তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৪ হেক্টর বেশি জমিতে বীজতলা রোপণ করা হয়েছে। এদিকে গত কয়েকদিনের ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে ১২ হেক্টর বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানায় কৃষি অফিস।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার ও কৃষিবিদ মোশাররফ হোসেন বলেন, কৃষকদের বীজতলার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে জিপসাম, পটাশ, জিংক কুইক ও চিলেটেড জিংক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও বীজতলায় সকালে রশি টেনে শিশির ঝরানো, রাতে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা, সন্ধ্যায় পানি জমিয়ে রেখে সকালে নিষ্কাশন করে দেওয়া ও গভীর নলকূপ দিয়ে পুনরায় পানি সেচ দেওয়াসহ বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে আবহাওয়া পরিবর্তন হলে এই সমস্যার সমাধান হবে।

আরও পড়ুন

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, সরেজমিনে দেখা যায়, ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে ইরি-বোরো ধানের বীজতলা বিবর্ণ হয়ে গেছে। প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে বাঁচাতে অনেকেই বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছেন, আবার কেউ ছত্রাকনাশক স্প্রে করছেন। তবুও ক্ষতির আশঙ্কা তাদের চোখেমুখে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৫১০ হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ায় কিছু বীজতলা সাময়িক ক্ষতির মুখে পড়লেও নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা কম।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীত বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ

জয়পুুরহাটের বাগজানায় শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশায় বোরো ধানের বীজতলা বিবর্ণ

নাটোর-১ আসন প্রতীক বরাদ্দের আগেই প্রতীকে গণসংযোগ, স্বতন্ত্র প্রার্থীকে শোকজ

বগুড়ায় ইয়াবাসহ ‘ডাব বাবু’ গ্রেফতার

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঈশ্বরদীতে প্রতিদিনই নামছে তাপমাত্রার পারদ

১২ জানুয়ারি বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান