ভিডিও শনিবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২

প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৪:৪৭ দুপুর

মানুষের বিনোদন কি বন্যপ্রাণীর মৃত্যু-তামাশায়

“বন্যপ্রাণী”-এই শব্দটি শুনলেই মানসপটে ভেসে ওঠে অবারিত সবুজ, ছায়াঘেরা অরণ্য, নদী-নালা, পাহাড়, জলাভূমি আর মুক্ত জীবনের ছন্দ। স্রষ্টা তাদের সৃষ্টি করেছেন অতীব যত্নে প্রকৃতির নিয়মে, প্রকৃতির স্বাধীনতায়, প্রকৃতির স্বরূপে। পৃথিবীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে প্রতিটি বন্যপ্রাণী এক একটি অপরিহার্য জীবন্ত স্তম্ভ। কিন্তু মানুষ তার বিনোদন, ব্যবসা, কৌতূহল এবং কখনো কখনো ভুল ধারণা পূরণের জন্য এই প্রাণীদের টেনে এনেছে সংকীর্ণ খাঁচায়-চিড়িয়াখানার নিষ্ঠুর শিকলে। বন্যপ্রাণীর খাঁচাবন্দি জীবন শুধুই একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিষয় নয়; এটি মানবতা, নৈতিকতা, পরিবেশ বোঝাপড়া এবং সভ্যতার প্রকৃত মানদন্ডের প্রশ্ন। আমরা কি সত্যিই এতটাই অমানবিক নির্মম, যে আরেকটি জীবন্ত প্রাণীকে আনন্দ- বিনোদনের নাম করে বন্দি করে রাখতে পারি? মানুষের হাসির আড়ালে যে প্রাণীটির চোখে জমে রক্তঅশ্রু, দৃষ্টিতে অসহায় নীরবতা-সেই নীরবতা কি আমরা সত্যিই অনুভব করি? বন্যপ্রাণীর জন্মগত অধিকার-স্বাধীনতা। যে হরিণ অরণ্যে দৌড়ে বেড়ায়, যে বাঘ তার ডোমেইনে শিকার করে, যে বানর চঞ্চলতায় ডালে ডালে লাফিয়ে বেড়ায়-তাদের জীবন যাপনের প্রতিটি মুহূর্ত জুড়ে আছে স্বাধীনতার স্বরূপ। এই স্বাধীনতাই তাদের জন্মগত অধিকার, এবং সেই অধিকার কেড়ে নিয়ে মানুষ চিড়িয়াখানার নামের সজ্জিত বন্দিশালায় তাদের আটকে রাখছে। একটি সিংহকে খাঁচায় রেখে আমরা মজা করে বলি- “দেখো, রাজা কেমন আছে!” 

কিন্তু সত্য হলো-একজন রাজাকে আমরা তার রাজ্য থেকে ছিনিয়ে এনে লোহার খাঁচার ভিতর বন্দি করে রেখেছি। এটি কৌতূহল নয়, এটি বর্বরতা। যেটা মিরপুর চিড়িয়াখানায় ডেইজির ক্ষেত্রেও ঘটে চলেছে। চিড়িয়াখানা হলো, বিনোদনের আড়ালে লুকানো নীরব নিষ্ঠুর নির্যাতন। চিড়িয়াখানার বিপক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তি হলো-এটি প্রাণীর স্বাভাবিক আচরণকে ধ্বংস করে দেয়। বাঘ প্রাকৃতিকভাবে প্রতিদিন ১০-২০ কিলোমিটার হাঁটে; কিন্তু খাঁচায় তার জন্য বরাদ্দ জায়গা হয় হয়তো ৫০ কর্ণফুট। হাতি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান ও সামাজিক প্রাণী-তাদের পরিবার, বন্ধুত্ব, স্মৃতি, ভাষা সবই আছে। অথচ চিড়িয়াখানায় তাদের প্রতি নিষ্ঠুরতা, একাকিত্ব মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়। খাঁচাবন্দি প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায় মাথা ঠুকতে থাকা, 

বারবার একই পথে অস্থির পায়চারী, নিজের শরীর কামড়ে ক্ষত-বিক্ষত করা, ক্ষোভে দুঃখে গর্জন, বিনতা, এগুলো সবই চূড়ান্ত মানসিক যন্ত্রণার লক্ষণ। মানুষের বদ্ধ মানসিক রোগী যেমন দেয়ালে মাথা ঠুকে, ঠিক তেমন আচরণ করে বন্দি প্রাণী। এই বাস্তবতা কি আমাদের আনন্দ দেওয়ার মতো? সংরক্ষণ নাকি প্রদর্শন-চিড়িয়াখানার আসল উদ্দেশ্য কী? স্রষ্টার সৃষ্টি ও জীবন চক্রের উপর অমানবিক এই পদ্ধতি কোনক্রমেই সুস্থ স্বাভাবিক চিন্তার উদ্ভাবন হতে পারে না। চিড়িয়াখানা স্রষ্টার অতিযত্নে সৃষ্টি করা স্বাধীন প্রাণীদের নিয়ে তামাসা কেন্দ্র ছাড়া আর কিছুই নয়। এটা স্রষ্টার সাথে তামাসারই নামান্তর। কেননা স্রষ্টা ও সৃষ্টি নিবিড় সম্পর্কযুক্ত।

চিড়িয়াখানার পক্ষে যুক্তি দেখানো হয় যে এটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করে। কিন্তু সত্যিকারের সংরক্ষণ কখনো সংকীর্ণ খাঁচায় হয় না; হয় বন রক্ষা করে, প্রাকৃতিক আবাসস্থল বৃদ্ধি করে এবং বন্যপ্রাণী পাচার দমন করে। বিশ্বের অধিকাংশ চিড়িয়াখানা সংরক্ষণের কেন্দ্র নয়, বরং প্রদর্শনের ব্যবসা। পৃথিবীতে বহু লাভজনক ব্যবসা আছে। সৃষ্টি ও স্রষ্টা বিরোধী এমন বর্বরোচিত ব্যবসা কী না করলেই নয়! এটা কী এতই লাভজনক ব্যবসা যে কারণে হিতাহিত জ্ঞান লুপ্ত হয়ে যায়। এখানে প্রাণীদের প্রাকৃতিক পরিবেশ নেই, যথাযথ পুষ্টি নেই, প্রজনন স্বাধীনতা নেই, মানসিক উদ্দীপনার সুযোগ নেই। যার ব্যবস্থাপনা বদ্ধ পরিবেশে কখনোই সম্ভব না। সংরক্ষণ যদি সত্যিই উদ্দেশ্য হতো, তবে পর্যাক্রমে প্রাণীদের বনে ফিরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা থাকত। সেই সাথে বনগুলোকে তাদের স্বাচ্ছন্দ্যময় বাসযোগ্য করার ক্ষেত্রে কাজ করা হত সঙ্গত। এতে স্বাস্থ্যবান প্রাণবন্ত বন্যপ্রাণীর আশাতীত সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া সম্ভব হতো। যার প্রাচুর্য নিয়ে গর্ব করার মত বিষয় হতো বটে। কিন্তু চিড়িয়াখানাগুলোয় সেই প্রক্রিয়া রহিত; কারণ খাঁচায় প্রাণী থাকলেই দর্শনার্থী আসে, আর দর্শনার্থী এলে অর্থ আসে। এই অর্থ উপার্জন আদৌ কী বৈধ? সংরক্ষণের নামে মানুষের বিকৃত বিনোদন বিক্রি করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। কারণ কোন প্রাণীকে আটকে রেখে তাকে দর্শনীয় বস্তু হিসাবে প্রদর্শনী করা শুধু নৃশংসতাই নয় চরম ও অমার্জনীয় অপরাধও বটে। যে দেশে প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ২০১২ ও প্রাণী কল্যাণ আইন ২০১৯ বলবৎ আছে। সে দেশে এই চিড়িয়াখানা বা বন্দিশালা শত সহস্রবার বেআইনি, অমানবিক। 

কেননা সৃষ্টির নিয়মের পরিপন্থী এই বন্দিত্ব। প্রত্যেক সৃষ্টি একটি উদ্দেশ্য নিয়ে পৃথিবীতে এসেছে। গাছ প্রকৃতিতে অক্সিজেন দেয়, নদী পানি দেয়, আর বন্যপ্রাণী প্রকৃতির খাদ্যশৃঙ্খলা, পরাগায়ন, বনসৃজন এবং পরিবেশ ভারসাম্য বজায় রাখে। যখন বন্যপ্রাণীকে তাদের প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়, তখন সেই সৃষ্টি তার দায়িত্ব পালন করতে পারে না। এটি শুধু একটি পরিবেশগত বা আদিম বদঅভ্যাসগত ভুল নয়, এটি সৃষ্টির নিয়মের বিরুদ্ধে একটি অমার্জনীয় অপরাধ। স্রষ্টা যে প্রাণীকে বনে ঘুরে বেড়ানোর স্বাধীনতা দিয়েছেন, মানুষ তাকে শৃঙ্খল দিয়ে বন্দি করছে-এই অত্যাচার মানবতার কোনো সংজ্ঞায়ই সমর্থনযোগ্য নয়। পরিবেশগত অংক হলো-প্রাণী নেই, পরিবেশ নেই। একটি বাঘ বনে না থাকলে হরিণের সংখ্যা বাড়ে, হরিণ বেড়ে গেলে বনভূমির ঘাস খেয়ে ফেলে, ঘাস কমলে ছোট প্রাণী কমে যায়, ছোট প্রাণী কমলে শিকারী পাখির সংখ্যা কমে-ইহা একটি দীর্ঘ অনিবার্য চক্র। অর্থাৎ একটি বাঘ কমলে বন পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একটি মৌমাছির মৃত্যু অর্থ হাজারো গাছের পরাগায়ন বন্ধ হওয়া। একটি শিয়াল কমে যাওয়া মানে ইঁদুরের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া। একটি কুমির কমে যাওয়া মানে জলাভূমির শিকার কমে যাওয়া।

প্রতিটি প্রজাতি একে অন্যকে ধারণ করে ধরে রাখে। আর সেই প্রজাতিগুলোকে আমরা বন্দি করছি-যে কাজ প্রকৃতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রাণীরাও অনুভব করে-আমরা কি তাদের অনুভূতির মূল্য দিই? বিজ্ঞান বলছে- হাতি কাঁদে, কুকুর দুঃখ পায় বানর বন্ধুকে চিনে রাখে, বাঘ মানসিক চাপ অনুভব করে। ডলফিনও অসহ্য হলে আত্মহত্যা করে। আমাদের অনুভূতির সাথে বন্যপ্রাণীদের যে অনুভূতির কোন পার্থক্য নাই তা আমরা হয়তো মনেই করি না। আমরা বন্যপ্রাণীদের সেই অনুভূতিকে মোটেই সম্মান করি না। আমরা খাঁচায় বন্দি একটি প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসি, ছবি তুলি, ভিডিও করি। আমরা ভুলে যাই ওরা মানবদর্শনের সামগ্রী নয়, ওরা স্বাধীন জীব। নিতান্তই দৃষ্টি সীমার মধ্যে রাখার বিকল্প খুঁজলে তা অবশ্য উন্নত বিশ্বে আছে- তাহলো চিড়িয়াখানা নয়, সাফারি পার্ক ও রিহ্যাব সেন্টার। আজকের পৃথিবীতে দুটি মডেল বেশ সফল যথাঃ ১. ওপেন সাফারি পার্ক, যেখানে প্রাণীরা মুক্ত পরিবেশে থাকে এবং মানুষ নিরাপদ যানে দূর থেকে দেখে । ২. ওয়াইল্ডলাইফ রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার, যেখানে আহত বা পাচার থেকে উদ্ধারকৃত প্রাণীদেরকে চিকিৎসা ও পরিচর্যা দিয়ে ধীরে ধীরে বনে ফেরানো হয়। এগুলোতে প্রাণীর সুরক্ষা যেমন থাকে, তেমনি মানুষের কৌতুহলেরও জবাব মেলে-কিন্তু নিষ্ঠুরতা ও বন্দিদশা ছাড়াই এটা সম্ভব। তবে এর কোনটাই যথাযথভাবে আমাদের দেশে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। কারণ দেশের সাফারি পার্কের চরম ব্যর্থতার ইতিহাস আমরা জানি। তাই কোনও অজুহাতেই বন্যপ্রাণী কৃত্রিম পরিবেশে আর আটক নয়। বন্যপ্রাণী মুক্তি-নৈতিকতার অংশ, শুধু উন্নয়নের নয়। সভ্যতা কেবল উঁচু দালান আর প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিমাপ হয় না; সভ্যতা মাপা হয় আমরা কতটা অসহায় ও দুর্বল প্রাণীর পাশে দাঁড়াতে পারি তার ওপর। যে সমাজ তার প্রাণীদের প্রতি সহানুভূতিশীল, সেই সমাজই সত্যিকার অর্থে আলোকিত- মানবিক। কারণ যারা নিজেরাও কথা বলতে পারে না, নিজেদের স্বাধীনতা চাইতে পারে না তাদের জন্য কথা বলা আমাদের দায়িত্ব। 

আরও পড়ুন

এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, বাংলাদেশে চিড়িয়াখানা বা সাফারি পার্কে (জীবননিপীড়িত) কিছু প্রাণীর মৃত্যুর পেছনে যেসব কারণ পাওয়া গেছে তা হৃদয় বিদারক। তাই বাংলাদেশে মানুষের করুণা নির্ভর কোন ব্যবস্থার উপর আমরা মোটেই আস্থাশীল নই। চরম অবহেলা অযত্নে আমাদের বন্দিরাণীদের নির্মম মৃত্যুর একটি সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান দিচ্ছি। বন্দি বন্যপ্রাণীর মৃত্যু (সংক্ষেপ তালিকা: ২০১৫-২০২৫) গাজীপুর - সাফারি পার্কঃ ১১টি জেব্রার মৃত্যু - জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ২০২২। কারণ: ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ, প্রজননকালীন লড়াই। অল্প সময়ের ব্যবধানে বড় সংখ্যার মৃত্যু - সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা। আফ্রিকান সিংহির মৃত্যু ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২। বয়স: প্রায় ১১ বছর, অসুস্থতা: পেটে পানি জমা, শ্বাসকষ্ট, পায়ে ব্যথা, মুখ দিয়ে রক্তপাত। ২০১৯-২০২৫ : ৩৭টির বেশি প্রাণী “মারা গেছে বা নিখোঁজ”। প্রাণী: জেব্রা, হরিণ, পাখি, নীলগাই, লেমুর, বানরসহ বিভিন্ন প্রজাতি। সমস্যার কারণ: অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসার ঘাটতি, দুর্বল নিরাপত্তা, খাদ্য ও পরিচর্যার সমস্যা। সাফারি পার্কের শেষ জিরাফটিও ২০২৫ সালে মারা যায়। এরপর রাজশাহী চিড়িয়াখানার ২০২৫-এর অবস্থা। চিড়িয়াখানাটি কার্যত ফাঁকা হয়ে গেছে। 

অধিকাংশ প্রাণী ধীরে ধীরে মারা গেছে ও হারিয়ে গেছে। কারণ: বহু বছরের “অবহেলা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাব” । দেশের চিড়িয়াখানাগুলোর সাধারণ সমস্যা হলো- ১। অপুষ্টি / ভুল খাদ্য, ২। পরিচর্যা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা কম হওয়া, ৩। অপর্যাপ্ত ভেটেরিনারি ব্যবস্থা, ৪। অস্বাস্থ্যকর আবাস / খাঁচার মান নিম্ন, ৫। নিরাপত্তা দুর্বলতা (পালিয়ে যাওয়া বা নিখোঁজ হওয়া), ৬। অব্যবস্থাপনা ও দক্ষ কর্মীর অভাব। ফলে বন্দি এসব অসহায় নিরপরাধ প্রাণীগুলো ধুকে ধুকে মরে যুদ্ধবন্দি শত্রু সেনাদের মত। যা হৃদয়বিদারক। তাই স্বাধীন প্রাণীগুলো মানুষের খেয়ালের পণ্য না করে মানবতার দোহাই, স্রষ্টার স্বাধীন সৃষ্টি রক্ষার দোহাই এদের মুক্তি দেয়া হোক। আমরা চাই বনে ফিরুক বন্যপ্রাণীর জীবনযাত্রা। নতুবা আজ আমাদের দাঁড়াতে হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক প্রশ্নের সামনে- “আমাদের আনন্দের জন্য অন্যের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া কি ন্যায়সঙ্গত?” যদি উত্তর হয় “না”-তবে আমাদের অবশ্যই চিড়িয়াখানাভিত্তিক প্রাণী বন্দিত্ব ব্যবস্থাকে বন্ধ করতে হবে। প্রাণীর প্রতি সহমর্মিতা, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা, নৈতিক দায়িত্ব, সবই আমাদের একই জবাব দেয়- বন্যপ্রাণীকে তাদের স্বাভাবিক স্বাধীনতায় ফিরে যেতে দিতে হবে। মানুষ যদি সত্যিই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হতে চায়, তাকে অবশ্যই বাঁকিদের স্বাধীনতার রক্ষক হতে হবে, শোষক নয়। অত্যাচারী নয়। তাই আবারও উচ্চারণ করি- খাঁচা নয়-অরণ্যই বন্যপ্রাণীর ঘর। আর তাদের সেই ঘর ফিরিয়ে দেওয়ার এখনই সময়। আর কোন অপেক্ষা নয়। 


লেখক


দীপক কুমার কর (কবিকঙ্কণ)

সাংবাদিক, সদস্য উপদেষ্টা কমিটি 
বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ)
সভাপতি, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)
সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মুক্তির আগেই রেকর্ড গড়ল বিজয়ের ‘জননায়গন’

ঘি-মাখন, মাছ-মাংস-ডিম খেলেই কমবে ওজন?

সিজদা ও রুকুর তাসবিহ

নারায়ণগঞ্জে ১৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, স্থগিত ৪

মোস্তাফিজ ইস্যুতে জরুরি মিটিং ডেকেছে বিসিবি

৫০ জনকে নিয়োগ দেবে প্রাণ গ্রুপ, ২৫ বছর হলেই আবেদন