ভিডিও রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫

বগুড়ার আদমদীঘিতে ১০ টাকা কেজির মরিচ ১১ দিনের ব্যবধানে হাঁকালো ডাবল সেঞ্চুরি

বগুড়ার আদমদীঘিতে ১০ টাকা কেজির মরিচ ১১ দিনের ব্যবধানে হাঁকালো ডাবল সেঞ্চুরি। ছবি : দৈনিক করতোয়া

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : মাত্র ১১ দিনের ব্যবধানে আদমদীঘিতে পাইকারি বাজারে ১০ টাকা কেজির কাঁচামরিচ ২শ’ টাকা কেজি দরে বেচাকেনা হচ্ছে। এতে লোকসানে থাকা মরিচ চাষিদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। অপরদিকে লাগাতার বৃষ্টির কারণে ফলন্ত মরিচ গাছে পঁচানি ধরে গাছ মরে যাওয়ায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে তাদের কপালে।

জানা যায়, উপজেলায় গত মৌসুমে ২৫ হেক্টর জমিতে কাঁচামরিচ চাষ হলেও এবার প্রায় ৪০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ করা হয়। গত জুন মাসের মাঝামাঝি থেকে কৃষকরা বাজারে মরিচ বিক্রি শুরু করলে বিপুল আমদানির কারণে পাইকাররা সিন্ডিকেট করে ৮ থেকে ১০ টাকা কেজি দামে মরিচ কিনে। এতে মরিচ আবাদের খরচ তোলা তো দুরের কথা জমি থেকে মরিচ তুলতে যা শ্রমিক খরচ হয় সেই টাকাও মরিচ বিক্রি করতে পারেন না।

গত ১লা জুলাই আদমদীঘি হাটে পাইকারদের সিন্ডেকেটের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ মরিচ চাষিরা বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে কাঁচামরিচ ছিটিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এরপর দিন থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে প্রতিদিন কাঁচামরিচের দাম অস্বাভাবিকহারে বাড়তে থাকে।

গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত আদমদীঘির বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ পাইকারি ২শ’ টাকা থেকে ২২০ টাকায় কেনাবেচা হয়।

আরও পড়ুন

মরিচ চাষি সালগ্রামের মোস্তাকিম ও বেলাল হোসেন জানান, বর্তমানে মরিচের বাজার শেষ পর্যন্ত বহাল থাকলে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া সম্ভব হবে। তবে পাইকারদের সিন্ডিকেটের কারণে মরিচের পাইকারি দাম কমে যাবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

অপর চাষি জহুরুল ইসলাম বলেন, লাগাতার বৃষ্টির কারণে মরিচ গাছ পচন ধরলেও জমিতে ওষুধ প্রয়োগ করা সম্ভব হচ্ছিল না। রোদ দেখা দিলে ওষুধ প্রয়োগ করে মরিচ গাছ সচেজ করা সম্ভব।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নওগাঁয় ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ

ঢাকায় ১২৩ সংগঠনের ১,৬০৪ বার অবরোধ : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

গাজায় একদিনে আরও ৭৭ ফিলিস্তিনিকে হত্যা

৯ তারিখ শিবিরের ‘ব্যালট বিপ্লব’ হবে : সাদিক কায়েম

আবারও সংঘর্ষে জড়িয়েছেন চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা

তিন গোল বাতিল, তবুও জয় রিয়ালের