ভিডিও বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬ ০১:১২ এএম

সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০০ কোটি টাকায় তৈরি হবে ১৮৪টি ফ্ল্যাট

ছবি : সংগৃহীত, সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০০ কোটি টাকায় তৈরি হবে ১৮৪টি ফ্ল্যাট

রাজধানীর জিগাতলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা বাড়াতে ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি নতুন বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ১৩ তলাবিশিষ্ট প্রতিটি ভবনে ৮৫০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট থাকবে। তিনটি ভবনে মোট ১৮৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। মূলত ১০ম থেকে ১২তম গ্রেডের কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য উন্নত ও মানসম্মত আবাসন নিশ্চিতকরণ’ প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে, যার বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভবনগুলোর নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এর পুরো অর্থ দেবে সরকার। এ জন্য জিগাতলায় প্রায় ২ দশমিক ৪৪ একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় জিগাতলা সরকারি কলোনির ১, ২, ৩ ও ৪ নম্বর পুরোনো ভবন ভেঙে সেখানে নতুন তিনটি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। ভবন চারটি অপসারণের বিষয়ে ইতিমধ্যে ভবন কনডেমনেশন কমিটির অনুমোদন পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন

এর আগে বিগত সরকারের সময়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের কাঠের কারখানা এলাকায় পাঁচটি এবং শিয়ালবাড়িতে ছয়টি ১৪ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হয়। পাশাপাশি নোয়াখালী ও নারায়ণগঞ্জে আরও ১৫টি বহুতল আবাসিক ভবন তৈরি করা হয়েছিল।

তবে নতুন আবাসন প্রকল্প নেওয়ার আগে বিদ্যমান ভবনগুলোর ব্যবহার ও বরাদ্দ পরিস্থিতি পর্যালোচনার পরামর্শ দিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনসংকট থাকলেও নির্মিত ভবন অব্যবহৃত থাকলে বা যথাযথভাবে বরাদ্দ না হলে তার কারণ অনুসন্ধান করা জরুরি। নতুন ভবন নির্মাণের আগে খালি পড়ে থাকা ভবনগুলোর সমস্যা সমাধান করা উচিত।

এদিকে একনেক সভায় অনুমোদিত ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে ১১টি নতুন এবং দুটি সংশোধিত। মোট বরাদ্দের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৫০ হাজার ৪১ কোটি টাকা, প্রকল্প ঋণ থেকে ৭ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়ন ৭৩ কোটি টাকা।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০০ কোটি টাকায় তৈরি হবে ১৮৪টি ফ্ল্যাট

১

১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া ছাড়পত্র নয়

২

রিজার্ভ থেকে আরও ১০ কোটি ডলার বিক্রি করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

৩

ফের জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

৪

আমার সঙ্গে লাগলে পরিণতি ভোগ করতে হবে, হুঁশিয়ারি ইলন মাস্কের

৫

বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার

৬