ভিডিও বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৫:৫৪ পিএম

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের আঘাতে ৫ জনের মৃত্যু

সংগৃহীত,ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের আঘাতে ৫ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে উপকূলে আছড়ে পড়ার পর ঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া শেষ হতে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পৃথক ঘটনায় রাজ্যটিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, আবার কেউ গাছ ভেঙে পড়ার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন।ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, অর্ণব উপকূলে আঘাত হানার সময় ‘অতি প্রবল’ ঘূর্ণিঝড়ের রূপে ছিল। এটি সংস্থাটির নির্ধারিত শক্তিমাত্রার তৃতীয় সর্বোচ্চ শ্রেণি। 

তবে বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঝড়টি ‘প্রবল’ ঘূর্ণিঝড়ে দুর্বল হয়ে পড়ে।সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রকাশিত আবহাওয়া বিভাগের বুলেটিন অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি তখন অন্ধ্র প্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের ওপর অবস্থান করছিল। এর কেন্দ্রীয় অংশ পুরোপুরি স্থলভাগে প্রবেশ করায় স্থলভাগে আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার বেগে স্থলভাগে প্রবেশ করে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছায়।

এ সময় ঝড়টির কেন্দ্র নরসাপুর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার পূর্বে, ইয়ানাম থেকে ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে, কাকিনাড়া থেকে ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং মাচিলিপত্তনম থেকে ৯০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্বে অবস্থান করছিল।প্রবল বৃষ্টি, উপড়ে পড়েছে গাছঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে অন্ধ্র প্রদেশ ও ওডিশার বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। ঝড়ের আশঙ্কায় আগেই দুই রাজ্য থেকে ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন

অন্ধ্র প্রদেশে বুধবার সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বিশাখাপত্তনমে—৩১৫ মিলিমিটার। এ ছাড়া বিজয়নগরমে ৩০১ মিলিমিটার, আনাকাপল্লেতে ২৭৫ মিলিমিটার, শ্রীকাকুলামে ২৫৭ মিলিমিটার এবং কৃষ্ণা জেলায় ২২৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।ওডিশার কোরাপুটে ১৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ ছাড়া গঞ্জামে ১৬১ মিলিমিটার এবং গজপতিতে ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়েছে। কিছু স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। কয়েকটি ট্রেনের চলাচলও বাতিল করা হয়েছে।বুধবার বিশাখাপত্তনম ও বিজয়ওয়াড়াগামী বিভিন্ন উড়োজাহাজের ফ্লাইট বাতিল করেছে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলো।আরও বৃষ্টির আশঙ্কাকর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বুধবার ও বৃহস্পতিবারও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এতে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়া, সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়া এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে আরও বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ ও বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে আবহাওয়া বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।সূত্র: এনডিটিভি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের আঘাতে ৫ জনের মৃত্যু

১

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

২

ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন?

৩

স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৪৬ জন নিহত

৪

লক্ষ্মীপুরে মাটির ব্যবসায়ীকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা

৫

সেঞ্চুরির অপেক্ষায় সাদমান

৬