রংপুরের ৪ খুনের ঘটনায় নতুন মোড়, হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত বলে ধারণা পুলিশের
রংপুর জেলা প্রতিনিধি : রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। গ্রেপ্তার দুই আসামির মধ্যে হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে ৪০ থেকে ৫০ বার ফোনে কথোপকথনের তথ্য পেয়েছে পুলিশ। কললিস্ট বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডটি পূর্বপরিকল্পিত হতে পারে বলে ধারণা করছে গোয়েন্দা পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রটি জানায়, গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে পরস্পরের সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ বার কথা বলেছেন। এত ঘন ঘন যোগাযোগকে অস্বাভাবিক হিসেবে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্র জানায়, মুগ্ধের বাবা কানু দাস ও সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ফুফাতো ভাই। সে হিসেবে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ আপন চাচাতো ভাই।
গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জানিয়েছিল, ইয়াবা সেবনের উদ্দেশ্যে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে গিয়েছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে ৮-৯টি ইয়াবা সেবনের কথাও স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ।
আরও পড়ুনউল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় একই এলাকার প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। গ্রেপ্তার আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বর্তমানে মামলাটি মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করছে।
মন্তব্য করুন

_medium_1788248328.jpg)
_medium_1788247670.jpg)
_medium_1788243497.jpg)




