নীলফামারীর ডোমারে ছাগল বাঁধাকে কেন্দ্র করে মারধরে আহত সুধীরের মৃত্যু
ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি : নীলফামারীর ডোমারে জমিতে ছাগল বাঁধার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধরে আহত সুধীর চন্দ্র (৫৪) মারা গেছেন। শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে চিকিৎসার উদ্দ্যেশ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। সুধীর চন্দ্র উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভূজারিপাড়া গ্রামের মৃত সুরেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মে রোববার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভুজারীপাড়া গ্রামে ছাগল বাঁধা নিয়ে প্রতিবেশী মশিউর রহমানদের সাথে সুধীর চন্দ্র রায়ের পরিবারের বাকবিতন্ডা হয়। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে মশিউর রহমানের ছেলে ফাহিম সুধীর চন্দ্র রায়কে এলোপাথারি মারপিট করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার করে সুধীর চন্দ্রের পরিবারের লোকজন তাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার পথিমধ্যে গোমনাতি ডারার পার নামক স্থানে মশিউর রহমানের শ্বশুরবাড়ির সামনে সুধীর চন্দ্রকে বহনকারী গাড়িটির পথরোধ করে তাকে দ্বিতীয় দফায় মারধর করে মশিউর রহমানের আত্মীয়রা। পরে সেখান থেকে সুধীরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় তার পরিবার। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনদিন চিকিৎসা নেয়ার পর বুকে ব্যাথা নিয়ে বাড়িতে ফিরে সুধীর চন্দ্র। গত শনিবার রাত ১টার দিকে বুকের ব্যাথা বেশি হলে পরিবারের লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান।
মৃত সুধীর চন্দ্রের স্ত্রী রাধিকা বলেন, দ্বিতীয় দফায় আমার স্বামীকে মারপিটের সময় গোমনাতি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সহযোগিতা পেলে এতো মারপিট করতে পারতো না। বুকে প্রচন্ড আঘাতের কারণে আমার স্বামী মারা যায়। ঘটনার পর থেকে মশিউর রহমানের পরিবারের লোকজন পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুনগোমনাতি ইউপি চেয়ারম্যান ফয়সাল আহম্মেদ শুভ এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
ডোমার থানা অফিসার ইনচার্জ মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, রোববার সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। এব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন









