ভিডিও মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রকাশ : ০২ জুন, ২০২৬, ০৫:৩৬ বিকাল

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা

আদালতের বাইরে আসামির কথা বলা ও প্রচার নিয়ে কড়া নির্দেশনা

সংগৃহীত,আদালতের বাইরে আসামির কথা বলা ও প্রচার নিয়ে কড়া নির্দেশনা

আদালতের বাইরে পুলিশ হেফাজতে থাকাবস্থায় আসামির কথা বলা ও তা প্রচার না করতে নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। 

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে, আদালতের বাইরে আসামির দেওয়া বক্তব্য ও তা প্রচার না করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিতে আবেদন করেন এ মামলা পরিচালনায় বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। 

তিনি আদালতকে বলেন, আইন অনুযায়ী বিচারকের সামনে ছাড়া পুলিশ হেফাজতে থাকাবস্থায় কথা বলার এখতিয়ার আসামির নেই। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। পুলিশি হেফাজতে থাকা বা দণ্ডিত আসামিদের বক্তব্য মিডিয়ায় প্রচার করা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত ও রাষ্ট্রীয় সংস্থার নিয়মানুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা রক্ষা, জনমত প্রভাবিত হওয়া রোধ এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এসব নির্দেশনা মেনে ভবিষ্যতে যেন আসামিরা কারও সামনে কথা না বলে সে বিষয়ে পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা চান এই আইনজীবী। পরে আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করেন। এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।


এদিন সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মাধ্যমে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এরপর ভিক্টিমের মা পারভীন আক্তার সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামি পক্ষের আইনজীবী মূসা কলিমউল্লাহ তাদের জেরা করেন। এরপর ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে রামিসার বড় বোনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। 

আরও পড়ুন

এদিন আদালতে মামলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিবেন বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে রয়েছেন- ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিবেশীরা।

এদিকে সকাল পৌনে নয়টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছে। এসময় তাদেরকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে তাদেরকে এজলাসে নেওয়া হয়। 

 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সবাই হাসিমুখে বের হচ্ছে, এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া: নাবিলা

আদালতের বাইরে আসামির কথা বলা ও প্রচার নিয়ে কড়া নির্দেশনা

নগদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, কর্মস্থল ঢাকা

এসিআই মটরসে চাকরির সুযোগ

কালীগঞ্জে সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

যাত্রীবাহী লোকাল লঞ্চের ছাদ থেকে নদীতে পড়ে কিশোর নিখোঁজ, চলাচল স্থগিত