ভিডিও সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রকাশ : ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:৫২ দুপুর

যুবদল নেতা হলে সিট পায় কিন্তু প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা সিট পায়না -এস এম ফরহাদ 

যুবদল নেতা হলে সিট পায় কিন্তু প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা সিট পায়না -এস এম ফরহাদ, ছবি: সংগৃহীত।

ঢাবি প্রতিনিধি:  নীতিমালা ভঙ্গ করে ৩৬ জন ছাত্রদল-যুবদল নেতা সিট পেলেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা সিট পাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ।

সোমবার (২০ এপ্রিল) নবীন শিক্ষার্থীদের সিট সংকট ও রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ৩৬ নেতাকে হলে সিট প্রদানের প্রতিবাদে ক্যাম্পাসের রেজিস্টার বিল্ডিংয়ের সামনে আন্দোলন এবং ভিসির সাথে এ সংক্রান্ত আলোচনার পর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন

প্রেস ব্রিফিং এ তিনি বলেন “শিক্ষার্থীরা আসছেন ক্লাস করবার জন্য, ক্লাস শুরু হওয়ার পরে তিনি ঢাকা চেনেন না, নতুন ঢাকায়, থাকবেন কোথায়, খাবেন কোথায়? একটা হাহাকার অবস্থা। আমরা ডাকসুতে বসতে পারছি না শিক্ষার্থীদের কান্নার জন্য। শিক্ষার্থীরা আসে, কাঁদে; অভিভাবকরা আসে কাঁদে হাহাকার করে। এই হতাশার জায়গা থেকে আমরা আরও আগে থেকে, প্রায় পাঁচ মাস ধরে এই চেষ্টাগুলো করছি যাতে এ বছর এই জটিলতা না থাকে। আগে যাতে সমাধান হয়ে যায়। প্রশাসনকে আমরা ফরমালি জানিয়েছি, ইনফরমালি জানিয়েছি, মিটিংয়ে জানিয়েছি, লাস্ট ইসি মিটিংয়ে জানিয়েছি। ডাকসুর পক্ষ থেকে প্রত্যেকটা হলে হলে গিয়ে প্রভোস্টকে জানিয়েছি। একই সাথে হল সংসদগুলো, তাদের পুরো টিম নিয়ে ভিপি-জিএস যারা আছে, প্রত্যেকটা হলের প্রভোস্টকে জানিয়েছে। স্ট্যান্ডিং কমিটিকে জানানো হয়েছে, কাজ হয় নাই। ফলে আমাদের এখন এই হাহাকার দেখতে না পেরে বাধ্য হয়ে
আজকে এসেছি। আমাদের দাবি হলো যাতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকে এবং সেই নীতিমালা যাতে সেশন বাইন্ডিংস থাকে, যাতে শিক্ষার্থীরা একটা টাইম পর্যন্ত থাকে, পরে সিট ফাঁকা হয়ে যায়। এবং যারা পাবে না সিট, তাদের ক্ষেত্রে যাতে অবশ্যই আবাসনবৃত্তি নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের আবাসনবৃত্তি কিংবা সিট ছাড়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস জারি রাখা এটা শিক্ষার্থীদের জন্য একটা টর্চারের মতোই। তিনি আরো বলেন, ভিসি স্যার জানিয়েছেন, আগামী ৩০ তারিখের মধ্যে কোথায় কয়টা সিট ফাঁকা আছে, কি রকম হবে না হবে এগুলোর চূড়ান্ত রিপোর্ট তারা দিবে ৩০ তারিখের মধ্যে। আমরা আশা করতে চাই ৩০ তারিখের মধ্যে উনারা এই ব্যবস্থা নিতে পারবেন এবং এরপর আমাদের আর আন্দোলন করতে হবে না, এমনটা আমরা আশা রাখতে চাই। সবচেয়ে বড় কনসার্নের জায়গা রিসেন্টলি আমরা বহুবার নিষেধ করা সত্ত্বেও,  প্রায় ৩৬ জনকে যারা যুবদল কিংবা ছাত্রদলের, ৮-৯ সেশন, ৩-৪ সেশন কিংবা ১০-১১ সেশনের বিভিন্ন সেশনের বিভিন্ন পোস্টেড নেতা, তাদেরকে বিশেষ বিবেচনায় সরাসরি সিট দেওয়া হয়েছে। সুনির্দিষ্ট নীতিমালা সেটাকে ভায়োলেট করে সিট দেওয়া হয়েছে।আমরা যখন জবাব চেয়েছি, তখন তারা এক সময় বলেছে যে এটি নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে দেখানো হয়েছে। যখন আমরা সেই নীতিমালা প্রিন্ট করে দেখিয়েছি যে এটা নীতিমালা লঙ্ঘন, তখন বলছে বিশেষ বিবেচনায়। অথচ আমার শিক্ষার্থীরা সিট পাচ্ছেন না। এই সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আমরা আজকে মোটামুটি ফরমাল অ্যাপ্রোচে এখনও খুব ভদ্র-সভ্য ভাষায়, স্বাভাবিক ভাষায়, নম্র ভাষায়, আন্দোলনের স্বাভাবিক ভাষায় আমরা আজকে দাবি জানিয়েছি। এরপরে কাজ না হলে হয়তো বাধ্য হয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধের দিক চলে যেতে পারি বলেন ফরহাদ।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুবদল নেতা হলে সিট পায় কিন্তু প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা সিট পায়না -এস এম ফরহাদ 

মাদারীপুরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার ২

নিজ এলাকায় নিজ হাতে মাটি কেটে খাল খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবতা  কৃষক-ফ্যামিলি কার্ড নীতিতে জনআস্থা

জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত স্বৈরাচারী সরকার দায়ি: তথ্যমন্ত্রী

ইরানের জাহাজ জব্দ করায় চীনের উদ্বেগ