জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাকে স্বাগত জানিয়ে এবং উভয় পক্ষকে শান্তির এ সুযোগটি কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন। কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার পর এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাকে স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘ প্রধান, যা ইসলামাবাদে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক শনিবার (১১ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে বিবৃতিটি দেন এবং কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন। গুতেরেস অর্থবহ ফলাফল অর্জনের জন্য উভয় পক্ষকে গঠনমূলকভাবে এবং সদিচ্ছার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে আহ্বান জানিয়েছেন। দুজারিক বলেন, জাতিসংঘ মহামচিব উভয়পক্ষকে একটি স্থায়ী ও ব্যাপক চুক্তির লক্ষে সদিচ্ছার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য এ কূটনৈতিক সুযোগটি কাজে লাগাতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এর লক্ষ্য হলো উত্তেজনা প্রশমন নিশ্চিত করা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় সংঘাত প্রতিরোধ করা। জাতিসংঘের মহাসচিব পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির কোনো বিকল্প নেই।
জাতিসংঘ আরও নিশ্চিত করেছে যে, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের জন্য নিযুক্ত তাদের ব্যক্তিগত দূত জঁ আর্নল্ট এ অঞ্চলে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন। চলমান উত্তেজনার মধ্যে আর্নল্ট কূটনীতিকে সমর্থন এবং সংলাপ সহজতর করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে ইসলামাবাদে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা তীব্র সংঘাতের পর এ যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য হলো কূটনীতির জন্য ক্ষেত্র তৈরি করা, যা একটি বৃহত্তর ও দীর্ঘস্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর আশা জাগিয়েছে।
গুতেরেস আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, উভয় পক্ষ সংলাপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির দিকে অগ্রগতি সম্ভব।
জাতিসংঘের সমর্থন এ আলোচনার বৈশ্বিক গুরুত্বকে তুলে ধরে, যেখানে দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রচেষ্টা সহজতর করতে পাকিস্তান একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক








