উত্তরাঞ্চল সফরের দ্বিতীয় দিন তারেক রহমান বগুড়ায় প্রতিবন্ধী শিশুদের সাথে সময় কাটালেন
স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ায় ডা. জুবাইদা রহমানের পক্ষ থেকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও কিশোরদের জন্য হুইল চেয়ার বিতরণ ও মত বিনিময় সভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সম্পর্কে বলেছেন, দু:খজনক হলেও সত্য যে আমরা এই মানুষদের বাইরে বের হতে দেইনা। ফলে তাদের যে প্রতিভা আছে সেই প্রতিভার বিকাশ হয়না। অনেক সুস্থ মানুষ আছি যাদের চেয়ে এই মানুষগুলোর মধ্যে গুন বেশি আছে। সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে এই মানুষদের পাশে দাঁড়াতে হবে। তাহলে অনেক প্রতিভা বেরিয়ে আসবে।
বগুড়ার হোটেল নাজ গার্ডেনে সিএসএফ গোলাবাল এর চেয়ারম্যান ড. এমএ মুহিতের আয়োজনে আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে তারেক রহমান আরও বলেন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু কিশোরদের নূন্যতম ব্যবস্থা কিছু করার সুযোগ করে দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা তাদের হাতের তৈরী জিনিষ তারেক রহমানকে উপহার দিতে মঞ্চে উঠতে যাবে এমন সময় তারেক রহমান নিজেই নিচে নেমে শিশুদের কাছ থেকে উপহার সামগ্রী গ্রহন করেন।
এই অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, দুই যুগপর বগুড়ায় এসে ভালো লাগছে। তিনি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সিএসএফ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তিনি শিশুদের স্বর্গের মত সুন্দর জীবন এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করেন। শিশুদেরকে অন্ধকারের মধ্যে থেকে বের হয়ে এসে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করার আহবান জানান। তিনি বলেন আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশ গড়বে। আমাদেরকে পরিকল্পনার মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এগিয়ে নিতে হবে। ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কথাও তিনি বলেন। অনুষ্ঠানে শিশুরা প্রথম বাংলাদেশ আমার, শেষ বাংলাদেশ.... গানটি পরিবেশন করেন।
এদিকে সিএসএফ গ্লোবাল এর চেয়ারম্যান ড.এমএ মুহিত জানান, ইতোপূর্বে বগুড়ার ১৪৯ প্রতিবন্ধী শিশুর মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১০ জনকে হুইল চেয়ার প্রদান করা হলো। হুইল চেয়ার বিতরণ ও মত বিনিময় সভা শেষে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান শহরতলীর শাকপালায় তার গড়া হাঁটাহাঁটির জায়গা দেখতে যান। এই জায়গার কথা তিনি লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সাথে আলাপকালে বলেছিলেন।
আরও পড়ুনসেখান থেকে তারেক রহমান তার উদ্যোগে গড়া বাইতুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। জুমা‘র নামাজ আদায় করার সময় তিনি বলেন যেদিন এই মসজিদ উদ্বোধন হয় সেদিন তিনি জেলে ছিলেন।
জেল থেকেই জেনেছেন বিপুল সংখ্যাক মানুষ জুমা‘র নামাজের মাধ্যমে মসজিদ উদ্বোধনে শরীক হন। তিনি বগুড়াবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। পরে তারেক রহমান মহাস্থানে হযরত শাহ সুলতান বলখী এর মাজার জিয়ারত করেন। সেখান থেকে মোকামতলায় নির্বাচনি পথসভা শেষ করে রংপুরের পীরগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
মন্তব্য করুন







