আদালতের রায়ে বিজয়ী
চার বছর পর চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিলেন জামায়াত নেতা
মফস্বল ডেস্ক: দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন জামায়াতে কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও নোয়াখালী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদ।
মঙ্গলবার বিকেলে (২৭ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মাওলানা সাইয়েদ আহমদ ‘চশমা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।নির্বাচন কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফলে তিনি বিজয়ী হলেও উপজেলা পর্যায়ে ফলাফল বদলে দেওয়া হয়।তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. সামছুল আলমকে মাত্র ১১ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। ভুক্তভোগী প্রার্থীর দাবি অনুযায়ী, পেশিশক্তি ব্যবহার করে জনরায়কে পাল্টে দেওয়া হয়েছিল।
ফলাফল কারচুপির বিরুদ্ধে সাইয়েদ আহমদ আদালতের দ্বারস্থ হন। সাড়ে তিন বছর আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত বছরের ২৪ মে নোয়াখালী জেলা দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ দেওয়ান মনিরুজ্জামান রায় প্রদান করেন। সাইয়েদ আহমদ ৪৬৬ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছিলেন। বিবাদী পক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পুনরায় আপিল করলেও উচ্চতর আদালত পূর্বের রায়টি বহাল রাখেন।
শপথ গ্রহণ শেষে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাওলানা সাইয়েদ আহমদ বলেন, ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে আজ সত্যের জয় হয়েছে। যে মামলা ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল, তা শেষ হতে চার বছর লেগে গেল। এতে আমার ইউনিয়নের ভোটাররা তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।’
আরও পড়ুননবনির্বাচিত চেয়ারম্যানের ছেলে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ফরহাদ এই জয়কে ‘ন্যায় ও ইনসাফের জয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা সেইসব কর্মকর্তাদের ধিক্কার জানিয়েছেন যারা ভোটের দিন জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) ফেরদৌসী বেগম, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোসাদ্দেক হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন



_medium_1769540798.jpg)




