নওগাঁয় পুকুর থেকে গুম হওয়া ব্যক্তির হাড়গোড় উদ্ধার, গ্রেফতার ১
আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: দীর্ঘ ১৯ মাস পর নওগাঁর আত্রাই উপজেলার চাঞ্চল্যকর সুমন (৩৮) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে আত্রাই থানা পুলিশ একটি পুকুর থেকে সুমনের হাড়গোড় উদ্ধার করেছে। এ হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি সফিউলকে (২৩) গ্রেফতার করা হয়েছে।
নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় আত্রাই থানা থেকে জানান, গত ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত প্রায় পৌনে ১২টায় আত্রাই উপজেলার কয়সা গ্রামের শাহাদৎ হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। এরপর সুমনের পরিবারের পক্ষ থেকে গত ২২ জুন ২০২৪ আত্রাই থানায় একটি জিডি করা হয়।
পুলিশ দীর্ঘদিন ঘটনার কোন কূলকিনারা পাচ্ছিল না। পরবর্তীতে সুমনের বাড়ির পাশে একটি ইটের টুকরায় স্থানীয় লোকজন রক্তের দাগ দেখতে পান। সংবাদ পেয়ে পুলিশ সুমনের পরিবারের ডিএনএ পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় সুমনের পরিবারের রক্তের সাথে ওই রক্তের মিল পাওয়া যায়। এরপর সুমনের স্ত্রী মোছা. বুলি বিবি বাদি হয়ে ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় একটি গুমের মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়ুনএ মামলার সূত্র ধরে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে উপজেলার বড়কালিকাপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে সফিউলকে (২৩) গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে এ হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে।
হত্যার কারণ হিসেবে সে পুলিশকে জানায়, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিল এবং হাত ধরে টানাটানি করেছিল। এদিকে সফিউলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গতকাল শুক্রবার বিকেলে কয়সা গ্রামের রমজানের পুকুরের তলদেশ থেকে সুমনের লাশের হাড়গোড় পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, সফিউল ও তার ভাই সায়েম মিলে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। সায়েম ইতিপূর্বে আত্মহত্যা করেছে। আসামি সফিউলকে আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) নওগাঁ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন

_medium_1769262364.jpg)






