ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হলো প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই
করতোয়া ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেষ হলো প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ। শেষ দিনে জেলার সংসদীয় আসনগুলোতে প্রার্থীদের দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রসমূহ যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থিতা বৈধ, অবৈধ ও স্থগিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং ও জেলা প্রশাসকগণ। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে প্রতিনিধিদের পাঠানো এ সংক্রান্ত আরও খবর.....
দিনাজপুর : দিনাজপুরে ৬টি সংসদীয় আসনে ৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৫টি বাতিল ও একটি স্থগিত করা হয়েছে। দিনাজপুর জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো রফিকুল ইসলাম প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন।
দিনাজপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিলহাজ উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনে মনোনয়নপত্র জমাদানকারী ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনজুরুল হক চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
অপর ৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি’র প্রার্থী আলহাজ মনজুরুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর মো. মতিউর রহমান, জাতীয় পার্টির শাহীনুর ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী এড. মো. চাঁন মিয়া ও জাকের পার্টির প্রার্থী রঘুনাথ চন্দ্র রায়, এবং গণঅধিকার পরিষদের মো. রিজুওয়ানুল ইসলাম।
দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসনে মনোনয়নপত্র জমাদানকারী ৯ জন প্রার্থীকেই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির মো. সাদিক রিয়াজ পিনাক চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর একেএম আফজালুল আনাম, জাতীয় পার্টির মো. জুলফিকার হোসেন, জাতীয় পার্টি-জেপি’র সুধীর চন্দ্র শীল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মাদ রেদওয়ানুল কারীম রাবিদ, বাংলাদেশ মুসলীম লীগের মো. মোকারম হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জোবায়ের সাঈদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ.ন.ম বজলুর রশিদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার চৌধুরী জীবন।
দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ১০ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে একজন কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী অমৃত রায়ের মনোনয়নপত্র বাতিল ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যু বরণ করায় তার মনোনয়ন পত্র স্থগিত করা হয়েছে। অপর ৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি'র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জামায়াতে ইসলামীর মো. মাঈনুল আলম, জাতীয় পার্টির আহম্মেদ শফি রুবেল, জনতার দলের মো. রবিউল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের মো. খাইরুজ্জামান, বাসদের মো. কিবরিয়া হোসেন, বাংলাদেশ মুসলীম লীগের লায়লাতুল রিমা, এবং খেলাফত মজলিসের মো. রেজাউল করিম।
দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) আসনে দাখিলকৃত ৪ জন প্রার্থীরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। প্রার্থীরা হচ্ছেন- বিএনপির প্রার্থী মো. আক্তারুজ্জামান মিয়া, জামায়াত ইসলামের মো. আফতাবউদ্দীন মোল্লা, জাতীয় পার্টির মো. নুরুল আমিন শাহ ও ইসলামী আন্দোলনের মো. আনোয়ার হোসাইন।
দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ১০ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে আমজনতা দলের মো. ইব্রাহিম আলী মন্ডলের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। অপর ৯ বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির একেএম কামরুজ্জামান, জামায়াতের মো. আনোয়ার হোসেন, এনসিপি’র ডা. আব্দুল আহাদ, জাতীয় পার্টির মো. কাজী আব্দুল গফুর, খেলাফত মজলিসের মো. আব্দুল কাদের চৌধুরী। এছাড়াও দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন- পার্বতীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এজেডএম রেজওয়ানুল হক ও বিএনপি নেতা জাকারিয়া বাচ্চু, মো. হযরত আলী বেলাল ও মো. রুস্তম আলী।
দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-হাকিমপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৮ জন। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহনেওয়াজ ফিরোজ শুভ ও শাহ মো. আব্দুল্লাহর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ারুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মো. রেজাউল হক, এবি পার্টির মো. আব্দুল হক, ইসলামী আন্দোলনের মো. নুর আলম সিদ্দিক এবং বাসদের মো. আব্দুল হাকিম।
কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রাম জেলার ৪টি আসনে ৩০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাদের মধ্যে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক ২৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হয় এবং ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। বাতিলকৃত প্রার্থীরা হলেন- কুড়িগ্রাম-২ আসনে জাতীয় পার্টির (লাঙল প্রতীক) পনির উদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (কাঁঠাল প্রতীক) প্রার্থী আতিকুর রহমান।
কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাহবুবুল আলম সালেহী এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির রংপুর বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল খালেক সরকার। বাকি আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- কুড়িগ্রাম-১ আসনে বিএনপির সাইফুর রহমান রানা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ারুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের হারিসুল বারী রনি, জাকের পার্টির আব্দুল হাই এবং গণঅধিকার পরিষদের বিন ইয়ামিন মোল্লা।
কুড়িগ্রাম-২আসনে বিএনপির সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইয়াছিন আলী সরকার, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা নূর বখত, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির নজরুল ইসলাম খাঁন, নাগরিক ঐক্য পার্টির মুহাম্মদ আব্দুস সালাম এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নূর মোহাম্মদ।
কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বিএনপির তাসভীর-উল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ডা. আক্কাছ আলী সরকার, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুস সোবহান, গণঅধিকার পরিষদের সরকার নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মামুনুর রশিদ।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোস্তাফিজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফিজুর রহমান, জাতীয় পার্টির কেএম ফজলুল হক মন্ডল, বাসদ শেখ মোহাম্মদ আব্দুল খালেক, বাসদ (মার্কসবাদী) বাবু আহম্মেদ এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির শেফালী খাতুন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুকুনুজ্জামান শাহিন।
নওগাঁ: নওগাঁর ৬টি আসনে মনোনয়নপত্র জমাদানকারী ৪১ জনের মধ্যে ৩৩ জনের মনোনয়ন মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব আসনে ৮ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
যাচাই-বাছাইয়ে নওগাঁ-১ আসনে ৮ জনের মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তাদের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম মনোনয়নপত্রের সাথে নিজ রাজনৈতিক দলের স্বপক্ষে দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা না দেওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
এছাড়া স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়া সাবেক যুবদল নেতা মাহমুদুস সালেহীন ও আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহরাব হোসেনের ১শতাংশ সমর্থনসূচক তালিকায় গড়মিল পাওয়ায় তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। নওগাঁ-২ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ৬ জনেরই মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
আরও পড়ুননওগাঁ-৩ আসনে ৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এ আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়া সাবেক যুবদল নেতা ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার প্রয়াত আখতার হামিদ সিদ্দিকীর ছেলে পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকীর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদ্দাম হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী আরফানা বেগম ও আব্দুস সামাদ প্রামাণিকের স্বপক্ষে ১ শতাংশ সমর্থনসূচক ভোটার তালিকায় গড়মিল পাওয়ায় তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে দাখিলকৃত ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রের মধ্যে একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ওই প্রার্থী হলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সমবায় বিষয়ক সম্পাদক নজমুল হক। তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেও তার স্বপক্ষে দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা না দেওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জাহিদুল ইসলামসহ অন্য প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। নওগাঁ-৬ আসনে দাখিলকৃত পাঁচজনের সকলের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের বাকি থাকা ৩টি সংসদীয় আসনে আরও ৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩২ জনে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রির্টানিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম এসব ঘোষণা করেন।
সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। দলের নেতার স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় সিপিবির প্রার্থী আব্দুল হাকিম ও ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর হোসাইনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে দলের নেতার স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় সিপিবির প্রার্থী মতিয়ার রহমান ও ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়ন বঞ্চিত তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মওলা খান বাবলুর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাদের মধ্যে দলীয় মনোনয়নবিহীন তবুও দলের নামে মনোনয়নপত্র দাখিল করায় জেলা বিএনপির উপদেষ্টা শফিকুল ইসলাম ছালামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এছাড়া, ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ুন কবির ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ওয়াসেক ইকবাল খান মজলিসের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
পাবনা: পাবনার ৫টি আসনের মধ্যে চারটি আসনে ৫জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। শুধুমাত্র পাবনা-৫ (সদর) আসনে কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়নি। এ আসনে চারজন প্রার্থীর সবারই মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার শাহেদ মোস্তফা এ ঘোষণা দেন।
পাবনা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাঁথিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খায়রুন নাহার খানম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাঁতীদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ইউনুস আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। পাবনা-২ আসনে গণফোরামের প্রার্থী শেখ নাসির উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
পাবনা-৩ আসনে বাতিলকৃত প্রার্থী হলেন গণধিকার পরিষদের হাসানুল ইসলাম রাজা (জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা)। পাবনা-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
সমর্থক ভোটার তালিকায় স্বাক্ষর সহ তথ্যগত ভুল থাকা, মনোনয়পত্রের সাথে আয়কর রিটার্নের কপি জমা না দেয়া, আয়কর বকেয়া থাকায় এসব মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
রংপুর: রংপুরের ৬টি সংসদীয় আসনে যাচাই-বাছাই শেষে ৫৬ জনের মধ্যে ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ও ৪৪ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান।
মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন- রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া-সিটির আংশিক) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী, রংপুর-৩ (সদর-সিটি কর্পোরেশন) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র পার্থী রিটা রহমান, খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মন্ডল, বাসদ (মার্কসবাদী) আনোয়ার হোসেন বাবলু এবং রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ্ আলম বাসার, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জয়নুল আবেদিন ও জাতীয় পার্টির (আনিস-রুহুল) মো. আব্দুস ছালাম, রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার মুকিত আল মাহমুদ, এবি পার্টির আব্দুল বাছেত, রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. কামরুজ্জামান, স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম শাহাজামান রওশন, খন্দকার শহিদুল ইসলাম, এসএম শাহাজামান রওশন ও তাকিয়া জামান চৌধুরী।
গাইবান্ধা: অরও দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন- গাইবান্ধা-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান ও গাইবান্ধা-২ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী প্রভাষক মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ নিয়ে জেলার ৫টি সংসদীয় আসনে মোট বৈধ প্রার্থী হলেন ৩১ জন। অন্যদিকে মনোনয়নপত্র বাতিল হলো ১৪ প্রার্থীর।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থাকায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত থাকা অন্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করায় এ নিয়ে আলোচনা ও আইনগত দিক বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পুনরায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য পর্যালোচনা শেষে তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন

_medium_1767597641.jpg)






