ভিডিও রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর, ২০২৪ ০৪:৪১ পিএম

রংপুরে মাদরাসার কক্ষ থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার আটক ২

রংপুরে মাদরাসার কক্ষ থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার আটক ২, প্রতীকী ছবি

রংপুর জেলা প্রতিনিধি :  রংপুর নগরীর গনেশপুর বকুলতলা জান্নাতবাগ হাফেজিয়া মাদরাসার তৃতীয়তলার পরিত্যক্ত কক্ষ থেকে সিয়াম নামের ১০ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সিয়ামের বাড়ি মিঠাপুকুরের ৫ নম্বর বালারহাট ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বুদ্রুক ঝালাই এলাকায়।

এ ঘটনাটি তদন্ত করছে সিআইডি ও রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানা পুলিশ। আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই মাদরাসার সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

মাদরাসা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজ পরবর্তী ক্লাস শুরুর পর সিয়ামকে দেখতে না পেয়ে সবাই মিলে তাকে খোঁজাখুঁজি করে। এক পর্যায়ে আব্দুর রহমান ওরফে আবদুল্লাহ নামের এক শিক্ষক সিয়ামকে মাদরাসার সদ্য নির্মিত তৃতীয়তলার পরিত্যক্ত রুমে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।

পরে তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সিয়ামের পিতা ভুট্টু মিয়া বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে সিয়ামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছিল। সে শুক্রবার সকালে বাড়িতে ছুটি নিয়ে ফিরবে।

আরও পড়ুন

তার মা ছেলের জন্য মাংস কিনে রেখেছিলেন। এখন সে বাড়ির পরিবর্তে মেডিকেলের মর্গে রয়েছে। আমি আমার সন্তান হারানোর বিচার চাই। রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই সন্দেহভাজন হিসেবে মাদরাসা শিক্ষক আব্দুর রহমান আবদুল্লাহ ও মাদরাসা ছাত্র মোখলেছুর রহমানকে আটক করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। খুব শিগগিরই প্রকৃত ঘটনার সত্যতা উন্মোচন হবে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা একটি মামলা করেছেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী আজ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন

বগুড়ায় কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্রের ইনচার্জের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

বগুড়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণ খরচ কমানোর দাবি 

করতোয়া মাল্টিমিডিয়া স্কুল এ্যান্ড কলেজ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা 

বগুড়ার ধুনটে হুইলচেয়ার পেলেন শতবর্ষী হারানি বেগম

খুলে রাখা হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট