ভিডিও মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৬:০২ পিএম

প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরলে মানসিক চাপ কমে

সংগৃহীত,প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরলে মানসিক চাপ কমে

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আলিঙ্গন হচ্ছে শারীরিক অন্তরঙ্গতার একটি অংশ। জড়িয়ে ধরা কিংবা পরস্পরকে আলিঙ্গন করার বেশ কিছু স্বাস্থ্যকর দিক রয়েছে। আলিঙ্গনের সময় ‘অক্সিটোসিন’ নামক একটি হরমোনের নিঃসরণ হয় যা বিষণ্ণতা, রাগ ও একাকীত্ব দূর করে মনে প্রশান্তি আনে।

একাকীত্ব দূর করে: আমরা এখন ভার্চুয়াল চুম্বন, ইমোটিকন আর সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে বসবাস করি। প্রযুক্তি আমাদের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসার নামে শারীরিকভাবে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। এখানে আপনি যদি কাউকে আলিঙ্গন করেন, তা আপনাকে আরও বেশি ঘনিষ্ট ও একে অপরের সঙ্গে কানেকটেড অনুভব করাতে সাহায্য করে।

মনের ব্যথা কমায়: এটা শুনে হঠাৎ অবাক হতে পারেন। তবে এটা সত্য যে, আপনি যদি খুব মানসিক যন্ত্রণায় থাকেন, তখন আপনার প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরলে আপনার মানসিক যন্ত্রণা অনেকাংশেই হ্রাস পাবে। ইসরায়েলের হাইফা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা গবেষণা করে জানান যে, আলিঙ্গন অনেকটা প্রাকৃতিক ব্যথানাশক ট্যাবলেটের মতো কাজ করে।

কথা বলা যেখানে ব্যর্থ, আলিঙ্গন সেখানে সফল: জীবনে এমন অনেক সময় আসে যখন আপনি এত বেশি উত্তেজনায় থাকেন যা কথার মাধ্যমে প্রকাশ সম্ভব হয়ে ওঠে না। তখন নীরবে একবার জড়িয়ে ধরাতেই সব কথা বলা হয়ে যায়। একটি শব্দও খরচ না করে সামনের জনকে জড়িয়ে ধরে বুঝিয়ে দেওয়া যায় তাকে আপনি কতটা ভালোবাসেন।

আরও পড়ুন

আলিঙ্গন বিষণ্ণতা কমায়: আলিঙ্গনের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসৃত হয়। এটা মানসিক চাপ কমায় এবং মনে সুখানুভূতি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। ফলে বিষণ্ণতার প্রভাব অনেকটাই হ্রাস পেতে থাকে।

হার্টের সুস্থতায়: শরীরে নিঃসৃত স্ট্রেস হরমোন ও কর্টিসোলগুলো ব্লাড প্রেশার বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে হৃদরোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আলিঙ্গন কর্টিসোল লেভেল কমিয়ে আনে, যার ফলে হার্ট ডিজিজ হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে হ্রাস পায়।

আলিঙ্গন জনসমক্ষে কথা বলতে সাহায্য করে: জনসমক্ষে ভালো বক্তৃতা দিতে এটা সহায়তা করে। কথাটা মোটেই মনগড়া নয়। একটি গবেষণামূলক ‘বিহ্যাভেরিয়াল মেডিসিন’ জার্নালে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। গবেষণার জন্য একটি জরিপ পরিচালিত হয়, সেখানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা তাদের সঙ্গীর সঙ্গে নিয়মিত ২০ সেকেন্ড ধরে আলিঙ্গন করেছে, তাদের বক্তৃতা দেওয়ার সময় তুলনামূলক কম হার্ট রেট পরিলক্ষিত হয়।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরলে মানসিক চাপ কমে

১

মারা গেলেন বর্ষীয়ান রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী বিভা

২

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে আগুনে পুড়ল বসতঘর ও সারের গুদাম,ক্ষয়ক্ষতি কোটি টাকার

৩

ব্র্যাকনেটে নিয়োগ, ২২ বছর বয়স হলেই আবেদনের সুযোগ

৪

‘না হলো যাওয়া, না হলো দেখা’—তন্দ্রাবিলাসে পরীমণির শরৎ

৫

আল্লাহর দেওয়া গায়ের রং পরিবর্তন করতে চাওয়া কি পাপ?

৬