লালমনিরহাটে শরতের আবহে চারদিকে কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া
লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটে শরতেই ভোরের কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া জানান দিচ্ছে শীতের মৃদু আগমনী বার্তা। মাঠ-প্রান্তর আর সবুজের বুকজুড়ে শিশির ভেজা সকালের সেই দৃশ্য জানান দিচ্ছে ঋতুর পালাবদলের ধারা।
আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলার কুলাঘাটসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মাঠের সবুজ ঘাস ও ধানের পাতায় জমে আছে শিশির বিন্দু। হালকা কুয়াশায় দূরের গাছপালা ও পথঘাট আবছা হয়ে আছে। সূর্যের আলো ফুটতেই সেই কুয়াশা ধীরে ধীরে সরে গিয়ে শিশির ভেজা প্রকৃতি ফিরে পাচ্ছে তার আসল রূপ।
পার্শ্ববর্তী কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য অনুযায়ী, এদিন সকালে তাপমাত্রা প্রায় ২৮ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে।
স্থানীয় চাপারতল এলাকার বাসিন্দা লোকমান আলী বলেন, কয়েকদিন ধরেই রাতের শেষভাগে কুয়াশার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
ভোরে ঘুম ভাঙতেই চারপাশে ঠান্ডা ঠান্ডা অনুভূতি। তুষভান্ডার ইউনিয়নের কাঞ্চনশ্বর এলাকার কৃষক ইসলাম হক বলেন, শীত এখনো পুরোপুরি আসেনি। তবে ভোরের কুয়াশা আর রাতের ঠান্ডা শীতের প্রস্তুতির আভাস দিচ্ছে।
আরও পড়ুনকলেজ শিক্ষক মোফাজ্জল হোসেন বলেন, দিনের আলোয় উষ্ণতার ছোঁয়া এখনও রয়ে গেছে, কিন্তু ভোরের কুয়াশা, শিশিরভেজা ঘাস আর ধানের পাতায় জমে থাকা জলকণায় শীতের বার্তা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। রাতের হিমেল বাতাস আর সকালের স্নিগ্ধ কুয়াশায় প্রকৃতি নীরবে শীত বরণে নিজেকে সাজাচ্ছে।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান বলেন, তুলনামূলকভাবে লালমনিরহাট হিমালয় পর্বতমালার নিকটবর্তী হওয়ায় এ অঞ্চলে শীতের আভাস আগেভাগেই অনুভূত হয়। এখন প্রকৃতিতে শীতের মৃদু আমেজ দেখা দিচ্ছে। তবে শীতের প্রকোপ বাড়লে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের প্রস্তুতি থাকবে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন







