পাবনার সুজানগরে আমন ধানের ফলন বিপর্যায়ের আশঙ্কা, কচুরিপানায় ঢাকা গাজনার বিল
সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি: চলতি মৌসুমে কচুরিপানায় ঢাকা পড়েছে পাবনার সুজানগরের ঐতিহ্যবাহী গাজনার বিল। এতে বিলে আবাদ করা বোনা আমন ধানের ফলন বিপর্যায়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর গাজনার বিলের ২৫শ’ হেক্টর জমিতে বোনা আমন ধান আবাদ করা হয়েছে। বর্ষার পানির সাথে বৃদ্ধি পায় বোনা আমন ধান।
বিলে ব্যাপকভাবে পানি বৃদ্ধি পেলেও বোনা আমন ধান কখনও পানিতে তলিয়ে যায় না। বরং যে বছর বর্ষায় বিলে বেশি পানি হয় সে বছর আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়। এ বছর বিলে বেশ পানি হয়েছে। কিন্তু সম্পূর্ণ বিল কচুরিপানায় ঢাকা পড়ায় ধানের বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে।
এতে ধানের ফলন বিপর্যায়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিলপাড়ের খয়রান গ্রামের ময়েন উদ্দিন বলেন, ঐতিহ্যবাহী গাজনার বিল কচুরিপানায় ঢাকা পড়ায় বছরের পর বছর বিলের জমিতে পেঁয়াজ ও ধান আবাদ ব্যাহত হয়ে আসছে।
গত ২-৩বছর আগে সরকারিভাবে বিল থেকে কচুরিপানা নিধনে বিষ প্রয়োগ করা হয়। এতে সাময়িকভাবে কচুরিপানা মারা গেলেও বর্ষার মৌসুমে বিল আবার কচুরিপানায় ঢাকা পড়ে। এবছরও বর্ষার আগে কচুরিপানা নিধনে সরকারিভাবে বিলে বিষ প্রয়োগ করা হয়। বিষে বিলের কিছু এলাকার কচুরিপানা মারা গেলেও বেশিরভাগ এলাকা ঢাকা পড়ে আছে।
আরও পড়ুনআর ওই কচুরিপানার কারণে আমন ধানের বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি ওই কচুরিপানার কারণে শুষ্ক মৌসুমে বিলে পেঁয়াজ আবাদ চরমভাবে বিঘ্নিত হয়। উপজেলার উলাট গ্রামের ভুক্তভোগী পেঁয়াজ চাষি আলতাফ হোসেন বলেন, শুষ্ক মৌসুমে সরকারিভাবে প্রকল্প নিয়ে শ্রমিকের মাধ্যমে গাজনার বিল থেকে কচুরিপানা ধ্বংস করতে হবে।
বিষ প্রয়োগ করে কচুরিপানা নিধন বা ধ্বংস করা যাবেনা। এব্যাপারে সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, শুষ্ক মৌসুমে গাজনার বিলের কচুরিপানা অপসারণে কার্যকর প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন







