ভিডিও সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৭:২২ পিএম

প্লে-ব্যাক’কে ঘিরে অনুপমা মুক্তি’র ইচ্ছে

অনুপমা মুক্তি

অভি মঈনুদ্দীন ঃ আজ থেকে বিশ বছর আগে মুক্তি পেয়েছিলো কোহিনূর আক্তার সূচন্দা পরিচালিত জহির রায়হানের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত সিনেমা ‘হাজার বছর ধরে’। সিনেমাটিতে প্রধান তিনটি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন এটিএম শামসুজ্জামান, রিয়াজ ও শশী। এই সিনেমার জনপ্রিয় গান হলো ‘তুমি সুতোয় বেঁধেছো শাপলার ফুল না কী তোমার মন’। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা এই গানটির সুর সঙ্গীত করেছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। গানটি গেয়েছিলেন সুবীর নন্দী ও অনুপমা মুক্তি। অনুপমা মুক্তির সঙ্গীত জীবনে এই গানটিই সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং আলোচিত গান। এরপর আর তার ভাগ্যে এমন গান জোটেনি। যদিও অনুপমা মুক্তির কন্ঠ ভীষণ মিষ্টি ও সুরেলা, কিন্তু এক অজানা কারণেই সিনেমার গানে সেভাবে তার গান গাওয়ার সুযোগ আর হয়ে উঠেনি।

এরইমধ্যে দেখতে দেখতে সঙ্গীত জীবনে অনুপমা মুক্তি দীর্ঘ এক সময় পার করেছেন। নিজের অ্যালবাম যেমন প্রকাশ করেছেন। সেই সাথে মিক্সড অ্যালবামেও কাজ করেছেন তিনি। গেয়েছেন বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে অনেক গান। কিন্তু সিনেমার গানের ক্ষেত্রে অর্থাৎ প্লে-ব্যাকের ক্ষেত্রে আফসোস তার রয়েই গেছে তার।

অনুপমা মুক্তি বলেন,‘ প্রয়াত শ্রদ্ধেয় আহমদে ইমতিয়াজ বুলবুল ভাই আমাকে ভীষণ স্নেহ করতেন। ভালো গান গাইতাম বলেই তিনি আমাকে স্নেহ করতেন। তারই কারণে আমার সঙ্গীত জীবনে যুক্ত হয়েছে তুমি সুতোয় বেঁধেছো শাপলার ফুল-গানটি। তাও আবার আমার ভীষণ প্রিয় এবং শ্রদ্ধার শিল্পী শ্রদ্ধেয় সুবীর নন্দী দা’র সঙ্গে। এই গানের বয়স বিশ বছরেরও বেশি হয়েছে। কিন্তু এখনো যখন যেখানেই স্টেজ শো’তে যাই, সেখানেই এই গান পারফর্ম করার অনুরোধ থাকেই। এই গান আমার সঙ্গীত জীবনের জন্য আশীর্বাদ। বুলবুল ভাই , সুবীর দা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তাদের আত্নার শান্তি কামনা করি। তবে আফসোস আমার যে , এরপর আর এমন কোনো গান আমার ভাগ্যে জুটলো না। আমি মনে প্রাণে চাই ফিল্মে গান করতে। আমার বিশ্বাস হয়তো সেই সুযোগ, প্রতীক্ষার অবাসন ঘটবে শিগগিরই।’

এদিকে পারিবারিকভাবে ভীষণ কষ্টের মধ্যদিয়ে সময় পার করছেন অনুপমা মুক্তি। গত ১২ মে মারা গেলেন তার ভাই অঞ্জন। আর গত ১২ মে মারা গেলেন তার বাবা আব্দুল হাকিম। যে কারণে বিগত বেশ কিছুদিন যাবত স্টেজ শো’তেও অনিয়মিত ছিলেন মুক্তি। এরইমধ্যে কয়েকদিন হলো স্টেজ শোতে ফিরেছেন মুক্তি। ঢাকার নটরডেম ক্লাবে তিনি তার মেয়ে আনিসবা’কে সঙ্গে নিয়ে গান গেয়েছেন। গানে মুক্তির হাতেখড়ি তার বড় ভাই নাজমুল হাসান অপুর কাছে, যিনি অষ্ট্রেলিয়ায় থাকেন। এরপর তিনি ওস্তাদ ইয়াকুব আলী খানের কাছে গানে তালিম নেন।

আরও পড়ুন

পরবর্তীতে তিনি বাফা’তে গানের সার্টিফিকেট কোর্স শেষ করেন। তারপর আবারো ইয়াকুব আলী খান, সুজিত মোস্তফা, মঙ্গল চন্দ্র মণ্ডলের কাছে গানে তালিম নেন।

২০০০ সালে মুক্তি শিল্পী, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক শরীফ রাজকুমারকে বিয়ে করেন। তারই কথা ও সুরে মুক্তির প্রথম মৌলিক গান প্রকাশিত হয়। মুক্তির প্রথম একক অ্যালবাম ছিলো ‘ঝিনুকের মুক্তো’। মুক্তির আসল নাম মনিরা মুক্তি। তার স্বামী ভালোবেসে তার নাম দিয়েছেন অনুপমা।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বগুড়ার কাহালুতে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্তসহ হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

অপেক্ষায় পূজা চেরি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অনুমোদনবিহীন ক্লিনিক সিলগালা

এখন সুপারশপে প্রেম খুঁজছেন সিঙ্গেলরা

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ৪৪ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেফতার

বাংলাদেশের যে বাজারে দোকানে দোকানে ঘুরে বেড়াচ্ছে বক