ভিডিও শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:৩৮ পিএম

সবার প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী 

সবার প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী ,  ছবি: সংগৃহীত।

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহিদ ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

শনিবার (৮ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জুলাই ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে উপস্থিত আপনারা কেউ জুলাইয়ের আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন, আবার কারও আপনজন এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। আপনাদের নিজেদের বা আপনজনদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ বাংলাদেশের মানুষ একটি মুক্ত পরিবেশে থাকতে পারছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মানুষের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এসব আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে দেশের মানুষ আরও ভালোভাবে বসবাস করতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাদের আমরা হারিয়েছি, যারা শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল; সেটি হলো বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।

 

প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্র ও সরকারের নানা সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করে বলেন, সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দেশকে বাস্তবতার নিরিখে এগিয়ে নিতে হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও বিভিন্ন সময়ে দেশের মানুষের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। 

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়। বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে আমরা যে বাংলাদেশ চাই, সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন শহিদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহিদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহিদ মো. আব্দুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহিদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহিদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহিদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহিদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি এবং শহিদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণী।

এ ছাড়া গুরুতর আহত মো. আব্দুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং গুরুতর আহত মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তার নিয়োগপত্র পেয়েছেন।

সম্প্রতি চাকরিতে যোগ দিয়েছে শহিদ আব্দুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা ও আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্না। অনুষ্ঠানে এসে তারাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। 

অনুষ্ঠানে শহিদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধারা চাকরি নিয়োগপত্র পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সবার প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী 

মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যের ডাক ইরানের

বগুড়ায় দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর উদ্বোধন হচ্ছে ফতেহ আলী ব্রিজ : জনমনে উচ্ছ্বাস

জুলাই যোদ্ধাদের সিএনজি ও রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মেহেরপুরে পরিত্যক্ত জমিতে একাধিক মাইনসদৃশ বস্তুর সন্ধান

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে আশুগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ