দৈনিক করতোয়ায় খবর প্রকাশের পর অবশেষে ভাঙ্গা হলো ‘সমাগম’
শহর প্রতিনিধি: বগুড়া মহানগরের সাতমাথা এলাকার সিটি কর্পোরেশনের মালিকানাধীন সমাগম মার্কেটে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভেঙ্গে ফেলে সিটি কর্পোরেশন। সরেজমিনে দেখা যায়, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. জাহাঙ্গীর আলমের উপস্থিতে রোববার (২আগস্ট) বিকেল থেকে ভবনটি ভাঙ্গা শুরু করেন সিটি কর্পোরেশন।
এসময় আভিযানিক দলে আরও ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের হাট বাজার পরিদর্শক আব্দুল হাই, বগুড়া সদর থানা পুলিশ এবং সিটি কর্পোরেশনের নিয়োগকৃত স্বেচ্ছাসেবক ও গার্ডবাহিনী। মার্কেটটির বেহাল দশা, ঝুকিপূর্নভাবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং অবৈধ ভাড়া বাণিজ্য নিয়ে গত ২৩ জুলাই “বগুড়ার সমাগম মার্কেট পরিত্যক্ত ঘোষণার আড়ালে চলছে ভাড়া বাণিজ্য” খবর প্রকাশিত হয়।
এছাড়াও, অনলাইন ওয়েব পোর্টালে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকপেজে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করে দৈনিক করতোয়া। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে সিটি কর্পোরেশনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দৈনিক করতোয়ার খবর প্রকাশের অনেক আগে থেকেই সমাগম মার্কেটটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করেন সাবেক পৌরসভা পর্ষদ।
নবসৃষ্ট সিটি কর্পোরেশনও সেই ধারাবাহিকতায় মার্কেটটিকে ‘পরিত্যাক্ত’ হওয়ায় এটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহারকারীদের সতর্ক করেন ও নির্দেশনা প্রদান করে। প্রয়োজনীয় জনবল, যন্ত্রপাতি সংকট, পৌরসভার নিজস্ব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট না থাকা সহ বিবিধ কারণে মার্কেটটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করার পরও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তা ব্যবহার করে আসছিলেন।
আরও পড়ুনসংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া ছাড়াও সিটি কর্পোরেশন এসব বিষয়ে সজাগ রয়েছে। এমন আরও পরিত্যাক্ত, ব্যবহার অনুপযোগী ভবন চিহ্নিত করে সতর্কবার্তা প্রদান করা হবে। নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেবে সিটি কর্পোরেশন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে সিটি কর্পোরেশনের পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা সমাগম মার্কেট নিজ দায়িত্বে ছাড়তে এবং বরাদ্দকৃত সপ্তপদী মার্কেট সংলগ্ন ফলমার্কেটের দশটি দোকানের মালিক ও ব্যবহারকারীদের ভাড়া পরিশোধের বিষয়ে সতর্ক বার্তা প্রদান করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. জাহাঙ্গীর আলম। ফলের দোকানগুলো থেকে সিটি কর্পোরেশন পাওনা ১৩লাখের অধিক রাজস্ব । সিটি প্রশাসক তাদের আবেদনের ভিত্তিতে পরিশোধের সময় বর্ধিত করে দিয়েছেন সোমবার ৩আগস্ট পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন








