ভোলায় একটি ভাড়াবাসা থেকে পুলিশ কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন ফকিরের (৪২) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে ভোড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের অফিসার পাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। শাহাবুদ্দিন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ আদালতে তার ডিউটি ছিল। কিন্তু ডিউটিতে না যাওয়ায় সহকর্মীরা একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে কোনো সাড়া পাননি। পরে তারা শাহাবুদ্দিনের বাসায় গিয়ে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ অবস্থায় দেখতে পান। বিষয়টি ভোলা সদর মডেল থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা খুলে ঘর থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
জানা গেছে, শাহাবুদ্দিন গত এক সপ্তাহ ধরে বাসায় একাই থাকতেন। তার স্ত্রী কয়েকদিন আগে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছেন।
আরও পড়ুন
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
উল্লেখ্য, নিহত শাহাবুদ্দিনের একমাত্র মেয়ে তৈয়বা জাহাবন চৈতী চলতি বছর ভোলা সদর গার্লস স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল। গত ৪ মে এসএসসি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় চৈতি (১৬) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ওই ঘটনার প্রায় তিন মাসের মাথায় শাহাবুদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।