বিশ্বকাপ উন্মাদনায় জবি আইটি সোসাইটির উদ্যোগে ভিআর ফুটবলের ভিন্নধর্মী আয়োজন
জবি প্রতিনিধি(সৃজন সাহা): বিশ্বকাপ ফুটবলের টানটান উত্তেজনা আর উন্মাদনা এবার ছুঁয়ে গেল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ। টেলিভিশন কিংবা মুঠোফোনের পর্দা পেরিয়ে সেই রোমাঞ্চকর অনুভূতি সরাসরি উপভোগ করলেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটি এবং ‘ট্রি অব লাইফ’ (এসএমসি প্লাস)-এর যৌথ উদ্যোগে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়টির বিজ্ঞান অনুষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এক অভিনব ফুটবল প্রতিযোগিতা।
‘দ্য গেম ইজ নট ওভার’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় মূলত ভিন্ন ভিন্ন বিভাগে শিক্ষার্থীরা অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল কৃত্রিম বাস্তবতার মাধ্যমে ফুটবল খেলার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। উন্নত প্রযুক্তির চশমা ও যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা মাঠের আসল আবহ এবং বল পায়ে গোল করার এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা লাভ করেন।
প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিজয়ী হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ধ্রুব নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “চলমান ফিফা বিশ্বকাপের উন্মাদনা এখন আমাদের ক্যাম্পাসে এসে ধরা দিয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি সংসদ ও এসএমসি প্লাসের এই যৌথ আয়োজনে আমি কৃত্রিম বাস্তবতার বিভাগে অংশ নিয়েছিলাম এবং বিজয়ী হয়েছি। ক্যাম্পাসে এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। প্রযুক্তির সাথে ক্রীড়ার এমন মেলবন্ধন যেন ভবিষ্যতে আরও বেশি করে করা হয়, এটাই প্রত্যাশা।”
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানা যায়, সার্বিক আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল তরুণদের মাঝে আধুনিক প্রযুক্তির পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বকাপের আমেজকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলা। খেলায় বিজয়ীদের জন্য চমৎকার সব উপহার এবং সুস্বাদু জুসের ব্যবস্থা করা হয়েছিল যা পুরো আয়োজনকে শিক্ষার্থীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
আরও পড়ুনএই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সম্পর্কে জবি আইটি সোসাইটির পাবলিক রিলেশনসের টিম লিড পিউস সাহা বলেন, “বিশ্বকাপের এই জোয়ারে নিজেদের চত্বরে এমন একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা নিঃসন্দেহে আনন্দের। ‘আল্টিমেট স্ট্রাইকার’ নামের এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির সাহায্যে এক নতুন ধারার ফুটবল উপভোগ করেছেন। এখানে কৃত্রিম বাস্তবতাসহ দুটি বিভাগে অংশ নিয়ে সবাই বিভিন্ন উপহার জিতে নিয়েছেন। আমরা আশা করি, আগামী দিনগুলোতেও শিক্ষার্থীদের মেধা ও বিনোদনের বিকাশে এমন যৌথ প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।”
উল্লেখ্য, সকাল থেকেই বিজ্ঞান অনুষদ প্রাঙ্গণে ফুটবলপ্রেমী শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বন্ধুদের দল বেঁধে আসা, একে অপরকে টেক্কা দেওয়া আর গোল করার পর উল্লাসে মেতে ওঠার মধ্য দিয়ে শেষ হয় উৎসবমুখর এই দিনটি। ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, "পড়ালেখার একঘেয়েমি দূর করতে এবং আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হতে এমন আয়োজন আগামীতেও বড় ভূমিকা রাখবে।"
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক
_medium_1787166124.jpg)
_medium_1787122608.jpg)

_medium_1787066730.jpg)
_medium_1787049585.jpg)
_medium_1787042745.jpg)


