নাটোরের বড়াইগ্রামে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ
বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত: ১৬ জন আহত হয়েছেন। গত শুক্রবার রাত ৮টার দিকে প্রথমে কিশোরদের মধ্যে মেয়ে সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে শিবপুর স্কুল এলাকায় সংঘর্ষ হয়। পরে গড়মাটি কলোনী ও শিবপুর গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
এই দ্বন্দ্বের জের ধরে আজ রোববার (৭ জুন) সকাল ৯টার দিকে গড়মাটি কলনী গ্রামের রুবেল মন্ডলও নিশাত মন্ডল শিবপুর বাজারে গেলে তাদের একটি ঘরে আটকিয়ে ১২/১৩ জন বেদম মারপিট করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় গ্রামের জনগণ মাইকে ঘোষণা দিয়ে একত্রিত হয় এবং দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে।
সংঘর্ষে গড়মাটি কলনী গ্রামের আওয়াল (৩৪), তরুণ (২৮), রাব্বি (২২), বুলবুল (২৮), ছাব্বির (২০), রুবেল মন্ডল (৩০) ও নিশাত মন্ডল (২৩) আহত হন। এছাড়া শিবপুর গ্রামের উয়াজ প্রাং (৭০), ইসরাইল প্রাং(৪০), আদিল (৪৫), কামরুল (৩৮), আব্দুল বারেক (৪২), মিরাজ (৪৫), গোলাম (৫০), ইসরাইল (৪৮), আব্দুুল আলীম, জায়েদা (৬৫) আহত হন।
আরও পড়ুনতাদের মধ্যে উয়াজ প্রামাণিককে অশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকীদের বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস, থানার ওসি আব্দুস সালাম ও স্থানীয় গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং আটক রুবেল মন্ডলও নিশাত মন্ডলকে উদ্ধার করেন।
এ ব্যাপারে বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গড়মাটি কলনী থেকে মোঃ আওয়াল ও শিবপুর গ্রাম থেকে ইসরাইল প্রাং পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করেছেন। তবে এ ব্যাপারে কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
মন্তব্য করুন







