পুশইন ঠেকাতে মেহেরপুর সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা
ভারত থেকে সম্ভাব্য অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন), চোরাচালান ও মাদক পাচার ঠেকাতে মেহেরপুর সীমান্তে নজরদারি ও টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় বাসিন্দারাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবির সঙ্গে পাহারায় অংশ নিচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, লাঠিসোঁটা, বাঁশি ও টর্চলাইট নিয়ে স্থানীয়রা বিজিবির সদস্যদের সঙ্গে দলবদ্ধভাবে টহল ও নজরদারিতে অংশ নিচ্ছেন।
তিন দিক দিয়ে ভারতীয় সীমান্তবেষ্টিত মেহেরপুর জেলার সীমান্ত দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৩৬ কিলোমিটার কুষ্টিয়া-৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এবং বাকি অংশ চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়ন-এর আওতাধীন।
বিজিবি জানিয়েছে, সব বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থেকে নিয়মিত টহল পরিচালনার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং আনসার-ভিডিপির সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।
কাথুলী সীমান্তের বাসিন্দা রনি ও সহড়াতলা এলাকার বাসিন্দা সুজন জানান, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্তবাসীরা প্রতি রাতেই বিজিবির সঙ্গে পাহারায় অংশ নিচ্ছেন, যাতে কোনোভাবেই অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান বা মাদক পাচার না ঘটে।
আরও পড়ুনমো. অছিকুর রহমান বলেন, সম্প্রতি বিএসএফের মাধ্যমে অবৈধ পুশইনের চেষ্টার তথ্য পাওয়ায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। প্রচলিত নিয়মের বাইরে কাউকে সীমান্ত পার করার যেকোনো চেষ্টা প্রতিহত করা হবে।
চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধিনায়ক নাজমুল আহসান বলেন, সীমান্ত রক্ষা শুধু বিজিবির নয়, সবার দায়িত্ব। এ কারণে টহল বৃদ্ধির পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিংসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
অন্যদিকে কুষ্টিয়া-৪৭ বিজিবির অধিনায়ক রাশেদ কামাল রনি জানান, পাটক্ষেতের কারণে কিছু এলাকায় নজরদারিতে চ্যালেঞ্জ থাকলেও অতিরিক্ত টহল মোতায়েন করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক








