ভিডিও সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রকাশ : ০১ জুন, ২০২৬, ০২:৫০ দুপুর

পাল্টা হামলায় মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিলো আইআরজিসি

পাল্টা হামলায় মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিলো আইআরজিসি,ছবি: সংগৃহীত।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের হরমোজগান প্রদেশের সিরিক দ্বীপে অবস্থিত একটি টেলিযোগাযোগ কেন্দ্রে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এই হামলার জবাবে যে বিমান ঘাঁটি থেকে ওই হামলাটি চালানো হয়েছিল সেটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স। দ্বীপটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার এবং প্রস্থে প্রায় ৩ কিলোমিটার বিস্তৃত

ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ঘোষণা করেছে, আইআরজিসি-এর অ্যারোস্পেস ফোর্স মার্কিন বাহিনীর বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করে দিয়েছে। ওই মার্কিন ঘাঁটি থেকে হরমোজগান প্রদেশের সিরিক দ্বীপের একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে হামলা চালানো হয়েছিল। তারা জানিয়েছে, পূর্বনির্ধারিত সমস্ত লক্ষ্যবস্তু সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। আইআরজিসি-র জনসংযোগ কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী সিরিক দ্বীপের যোগাযোগ টাওয়ারে হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের যুদ্ধবিমানগুলো হামলার উৎপত্তিস্থল (ঘাঁটি) লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায় এবং সফলভাবে এই অভিযান সম্পন্ন করে।

আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্স এরপর একটি সরাসরি সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছে, এই আগ্রাসনের পুনরাবৃত্তি ঘটলে পরবর্তী জবাবের পরিধি এবং প্রকৃতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হবে এবং এই ধরনের যেকোনো উত্তেজনা বৃদ্ধির সমস্ত দায়ভার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বহন করতে হবে।

আরও পড়ুন

উল্লেখ্য, সিরিক দ্বীপটি দক্ষিণ ইরানের হরমোজগান প্রদেশে অবস্থিত পারস্য উপসাগরের কৌশলগত হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত যা আবুমুসা কাউন্টির অন্তর্ভুক্ত। এটি বান্দর-ই লেঙ্গেহ থেকে ৭৬ কিলোমিটার (৪৭ মাইল) এবং আবু মুসা দ্বীপের ৫০ কিলোমিটার (৩১ মাইল) পশ্চিমে অবস্থিত। সিরিক দ্বীপটি আবু মুসা দ্বীপপুঞ্জের ছয়টি দ্বীপের একটি। দ্বীপটির দৈর্ঘ্যে প্রায় ৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার (৩ দশমিক ৫ মাইল) এবং প্রস্থে প্রায় ৩ কিলোমিটার (১ দশমিক ৯ মাইল) বিস্তৃত। এটি ১৭ দশমিক ৩৩ বর্গ কিলোমিটার (৬ দশমিক ৭ বর্গ মাইল) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দ্বীপটির সর্বোচ্চ বিন্দুর উচ্চতা ৩৩ মিটার (১০৮ ফুট)। পারস্য উপসাগরের অন্যান্য দ্বীপের মতোই এখানকার আবহাওয়া উষ্ণ ও আর্দ্র।

সিরি অঞ্চলের অধীনে সিভান্দ ও দেনা তেল ক্ষেত্র, নুসরাত তেল ক্ষেত্র, আলভান্দ তেল ক্ষেত্র এবং এসফান্দ তেল ক্ষেত্রের পাশাপাশি নাসর অফশোর তেল প্ল্যাটফর্মগুলো রয়েছে। দ্বীপে অবস্থিত বিমানবন্দরটি (সিরি বিমানবন্দর) একটি অনিয়ন্ত্রিত বিমানবন্দর যার রানওয়ে ৮ হাজার ১৪০ ফুট (২ হাজার ৪৮০ মিটার)। তবে এখানে ইরানের সামরিক বিমান ওঠানামা করতে দেখা গেছে। সূত্র : মেহের নিউজ এজেন্সি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পাল্টা হামলায় মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিলো আইআরজিসি

পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন দীপেন দেওয়ান

বগুড়ার নন্দীগ্রামে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা 

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জে শতাধিক আহত

দেশের সাত বিভাগে বৃষ্টির আভাস

চট্টগ্রামে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল বাবা-ছেলের