সোমবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজয় ও তার দল রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ ওলটপালট করে দেয়। প্রায় ছয় দশক ধরে চলা ডিএমকে ও এআইএডিএমকের দ্বিদলীয় আধিপত্য ভেঙে দিয়ে টিভিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বড় অংশকে বিস্মিত করে।
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রোববার শপথ নেবেন থালাপতি বিজয়
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাঁচ দিন গভর্নরের সঙ্গে চার দফা বৈঠক এবং সম্ভাব্য মিত্রদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে তামিলনাড়ুতে বিজয় থালাপতি অধ্যায়ের চূড়ান্ত পরিণতি সামনে এলো। অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া বিজয় দুই বছর আগে টিভিকে গঠন করেছিলেন এবং দলটির প্রথম নির্বাচনী লড়াইয়েই জয় এনে দেন।
রোববার সকাল ১০টায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে।
২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় ১০৮টি আসন পেয়ে টিভিকের ক্ষমতায় যাওয়ার পথ প্রায় নিশ্চিত মনে হচ্ছিল। তবে এরপর শুরু হয় জটিলতা।
এরপর বিভিন্ন দলের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা এবং গভর্নরের সঙ্গে আরও বৈঠক হয়। শেষ পর্যন্ত ডিএমকের জোটসঙ্গী সিপিআই ও সিপিআই(এম) বিজয়কে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেয়। এতে আরও চার বিধায়ক যুক্ত হয়। বিজয় দুটি আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ায় জোটের মোট সদস্যসংখ্যা দাঁড়ায় ১১৬। এর মধ্যে টিভিকে ১০৭, কংগ্রেস ৫ এবং বামদল ৪। অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮ থেকে তখনও দুই আসন কম ছিল।
আরও পড়ুনএই পরিস্থিতির মধ্যেই ডিএমকে ও এআইএডিএমকে একজোট হয়ে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে, এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে। এতে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও বাড়ে এবং বিজয় সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
টিভিকে এরপর ডিএমকের আরেক মিত্র দল ভিসিকের নেতা থোল থিরুমাভালাভানের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চালায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় কোনো অগ্রগতি হয়নি। অবশেষে শনিবার সন্ধ্যায় ভিসিকে তাদের দুই বিধায়কের নিঃশর্ত সমর্থন ঘোষণা করে। এতে জোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ঠিক ১১৮।
এর কিছুক্ষণ পর ডিএমকে জোটের আরেক শরিক ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগও বিজয়কে সমর্থনের ঘোষণা দেয়। এতে বিজয় নেতৃত্বাধীন জোটের বিধায়ক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২০, যা সরকার গঠনের জন্য তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক অবস্থান।
মন্তব্য করুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক








