নারী শিক্ষার জন্য খালেদা জিয়ার যুগান্তকারী উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবেও প্রশংসিত : রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশের অর্ধেকের বেশি জনগোষ্ঠী নারী। তাদেরকে রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারার বাইরে রেখে জাতীয় অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়।
আজ রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহিলা অধিদফতরের মহাপরিচালক মিজ জিনাত আরা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বেগম খালেদা জিয়াসহ ছয়জনকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য ‘নারী পুরস্কার তুলে দেন তিনি।
কবি নজরুলের কবিতার পঙ্কতি উদ্ধৃতি করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর অর্ধেক তার আনিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর। তিনি বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে নারী বিষয়ক দফতর প্রতিষ্ঠা করেন। আর ১৯৭৮ সালে গঠন করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এটি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তরিত করেন। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেটি আরও শক্তিশালী রূপ দেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি মেযেদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেন। দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেন। মেয়েদের জন্য উপবৃত্তি চালু করেন।
আরও পড়ুনরাষ্ট্রপতি বলেন, নারী শিক্ষার জন্য বেগম খালেদা জিয়ার এই যুগান্তকারী উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবেও প্রশংসিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও নারী শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে। স্নাতকোত্তর পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। একইভাবে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পরা নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথে। আগামী ১০ মার্চ থেকে তা শুরু হবে। এভাবেই নারীদের সমৃদ্ধি আরও এগিয়ে যাবে বলে তিনি মনে করেন।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক







