বগুড়ার ধুনটে পুকুর খননের নামে অবৈধভাবে মাটি বাণিজ্য, ঝুঁকিতে পাকাসড়ক!
ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি : ধুনট উপজেলায় ভান্ডারবাড়ি-গোসাইবাড়ি পাকাসড়কের পাশ থেকে রঘুনাথপুর গ্রামের জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে পুকুর খননের নামে এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে গভীর গর্ত করে মাটি কাটার ফলে ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে পাকাসড়কটি। তবে অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে জোরালো কোনো ভূমিকা রাখছে না উপজেলা প্রশাসন।
সরেজমিন দেখা গেছে, ভান্ডারবাড়ি-গোসাইবাড়ি পাকা সড়কের রঘুনাথপুর গ্রামের জহুরুল ইসলাম রাস্তার পাশের ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির পুকুর খনন ও পুকুরের পার বাঁধার নামে এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। ট্রলি ও ভেকু দিয়ে চলছে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড। ট্রাক্টর দিয়ে সেই মাটি বিভিন্ন এলাকার ইটভাটা ও ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। রাস্তার পাশ থেকে গভীর গর্ত করে মাটি কাটার ফলে পাকা সড়কটি ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে।
তবে সরকারি বিধিমোতাবেক আঞ্চলিক বা গ্রামীণ সড়কের উভয় পাশের ১০ ফুটের মধ্যে কোনো পুকুরের পাড় রাখা যাবে না। উভয় পাশে এ পরিমাণ জায়গা ফাঁকা রেখে তবেই পাড় করতে হবে। সড়ককে পুকুরপাড় বানানো কোনোভাবেই আইনসিদ্ধ নয়। এদিকে অতিরিক্ত মাটিবোঝাই ট্রাক চলাচল করায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের কম ওজন ধারণকারী রাস্তাগুলোর মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এলাকার বিভিন্ন সড়কে সারাদিনই মাটিবোঝাই ট্রলি চলাচল করছে। অবৈধভাবে মাটি কেটে রাস্তা নষ্ট করা হচ্ছে, বৃষ্টি হলে কাদা জমে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়বে। পরিবেশও মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে, শিশু ও বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
আরও পড়ুনএ বিষয়ে মাটি ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম বলেন, আমার নিজের জায়গায় পুকুর খনন করে পাড় বাঁধায় করায় হচ্ছে। তবে সামান্য কয়েক গাড়ি মাটি গ্রামের মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন কাজের জন্য বিক্রি করা হচ্ছে। এতে রাস্তাঘাটের কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতিলতা বর্মন জানান, মাটি কেটে বিক্রির কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন






_medium_1772291094.jpg)

