বাঁচার আকুতি গৃহবধূ মুন্নির
সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: প্রায় দুই বছর আগে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী গৃহবধূ মুন্নি বেগম হার্ট ও ভালভ রোগে আক্রান্ত। ছিদ্র হার্ট আর অকেজো ভালভ নিয়েও বেঁচে থাকার আকুতি এই নারীর। স্ত্রীর এমন অসুস্থতায় স্বামী নুরুল ইসলাম ও দুই ছোট সন্তানের চোখেমুখে শুধুই হতাশার ছাপ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মুন্নির স্বামী নুরুল ইসলাম পেশায় একজন ভ্যানচালক। স্ত্রীকে বাঁচাতে ইতোমধ্যে সব সম্পদ শেষ করে মোটা অঙ্কের টাকা ধারদেনাও করেছেন। বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রসহ সবশেষে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। সেখানে অপারেশনের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এতে প্রায় ৯ লাখ টাকার প্রয়োজন। তবে অর্থের অভাবে মুন্নির চিকিৎসাসেবা বন্ধ রয়েছে।
মুন্নি বেগম বলেন, প্রতিদিন ৫০০ টাকার ওষুধ কিনতে হয়। এখন টাকার অভাবে সেই ওষুধ কেনাও বন্ধ আছে। আমি বাঁচতে চাই। আমাকে সবাই বাঁচান। স্বামী নুরুল ইসলাম বলেন, আমার স্ত্রী একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। তার ভাতা কার্ডের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে বহুবার ঘুরেছি কিন্তু কার্ড করে দেয়নি চেয়ারম্যান। ইতোমধ্যে স্ত্রীর হার্ট ও ভালভের চিকিৎসা ব্যয়ে আমি নিঃস্ব।
আরও পড়ুনঅপরারেশনের জন্য প্রায় ৯ লাখ টাকা দরকার। এসময় স্ত্রীর চিকিৎসায় সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন করেন তিনি। সাহায্যের জন্য ০১৮৫১৩২৬১২৮ নম্বরে বিকাশ অথবা নগদে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করে ভুক্তভোগী পরিবার।
সাদুল্লাপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র রায় জানান, যেহেতু এককালীন অনুদানের ব্যবস্থা আছে সেক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদন করলে সেটি বিবেচনা করে দেখবেন। সেইসাথে রোগীকল্যাণ সমিতি থেকেও সার্বিক সহযোগিতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচির আওতায় আনার আশ্বাসও দেন এ কর্মকর্তা।
মন্তব্য করুন







