ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে সাত মাসে ১৩৯ মামলা
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে গত সাত মাসে (আগস্ট থেকে চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) ১৩৯টি মামলা দায়ের করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এসব মামলায় ১৪৪ জনকে আসামি এবং ১৪২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, গাঁজা, হেরোইন ও চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদক অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত বছরের আগস্টে ২৩টি মামলায় ২৩ জনকে আসামি করা হয় এবং ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় ১৭০ গ্রাম গাঁজা, ৩০ পিস ইয়াবা ও ২৯৩টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সেপ্টেম্বরে ২১টি মামলায় ২২ জন আসামির মধ্যে ২০ জন গ্রেফতার হয়। উদ্ধার করা হয় ২০ হাজার পিস ইয়াবা, ২৩৭টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ৭৬৫ গ্রাম গাঁজা ও ১ হাজার ৯শ’ টাকা।
অক্টোবরে ১৯টি মামলায় ১৯ জন আসামির মধ্যে ১৮ জন গ্রেফতার হয়। এসময় ৬৯০ গ্রাম গাঁজা, ১৪৯টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। নভেম্বরে ২২টি মামলায় ২৪ জন আসামির মধ্যে ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় উদ্ধার করা হয় ১৮৫ গ্রাম গাঁজা, ৪১৯ পিস ইয়াবা, ৪২ লিটার চোলাই মদ ও ৩৮টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট।
ডিসেম্বরে ২১টি মামলায় ২১ জন আসামির সবাইকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় ১৩৪ পিস ইয়াবা, ১ হাজার ২২৯টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ৬৫ গ্রাম গাঁজা এবং ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ২০টি মামলায় ২১ জন আসামির মধ্যে ২০ জন গ্রেফতার হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ২০ গ্রাম গাঁজা, ৩ পিস ইয়াবা, ৮ দশমিক ৫ গ্রাম হেরোইন ও ২০১টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট।
আরও পড়ুনএছাড়া, চলতি মাসের ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্বত ১৩টি মামলায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় ৮০১টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ১ দশমিক ৫ লিটার চোলাই মদ, ১৫ গ্রাম গাঁজা ও ১৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদক অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে সদর উপজেলায়। তবে জনবল সংকট ও নিজস্ব যানবাহনের অভাবে সীমান্তবর্তী উপজেলা ও দুর্গম এলাকায় অভিযান পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে।
ঠাকুরগাঁও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সবুজ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, অধিদপ্তরের জন্য বরাদ্দ একটি গাড়ি বর্তমানে রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া করা মাইক্রোবাস ও ছোট যানবাহন ব্যবহার করে অভিযান চালাতে হচ্ছে। নিজস্ব গাড়ি না থাকায় সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
মন্তব্য করুন


_medium_1771847957.jpg)

_medium_1771844905.jpg)




