ভিডিও শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০১:৩৩ দুপুর

‘চাঁদাবাজিকে বৈধতা দেওয়ার’ বক্তব্যে উদ্বেগ জামায়াতের

‘চাঁদাবাজিকে বৈধতা দেওয়ার’ বক্তব্যে উদ্বেগ জামায়াতের, ছবি: সংগৃহীত।

সমঝোতার নামে ‘চাঁদাবাজিকে বৈধতা দেওয়ার’ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই প্রতিবাদ জানান। বিবৃতিতে তিনি বলেন, সম্প্রতি সড়ক-পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ‘সমঝোতার’ নামে চাঁদাবাজিকে কার্যত বৈধতা দিয়েছেন। আমি তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও অনৈতিক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।

তিনি বলেন, চাঁদাবাজি একটি ফৌজদারি অপরাধ। এটি সমাজ, অর্থনীতি ও আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি। একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর বক্তব্যে যদি এমন কোনো বার্তা যায় যে অবৈধ অর্থ আদায় বা অনৈতিক সমঝোতা গ্রহণযোগ্য-তবে তা রাষ্ট্রের জন্য কলঙ্ক। রাষ্ট্রের এমন বৈধতা দান অপরাধীকে চাঁদাবাজির মত আরও অনেক অপরাধ করতে উৎসাহিত করবে। এতে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। জনগণ ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থেকে বঞ্চিত হবে। আমরা মনে করি, সরকারের দায়িত্ব হলো চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কোনো অবস্থাতেই অপরাধকে ‘সমঝোতার’ নামে আড়াল করার কোনো সুযোগ নেই। মাননীয় মন্ত্রীর এই বক্তব্য রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

আরও পড়ুন

এড. জুবায়ের বলেন, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই- চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান আপসহীন। আমরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলতে চাই, দুর্নীতির ছিটে-ফোঁটাও দেশবাসী বরদাশত করবে না। আমরা সরকারের নিকট দাবি জানাই- সড়ক-পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের উক্ত বক্তব্য প্রত্যাহার করে দেশবাসীর নিকট স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য পরিহার করতে হবে। একই সাথে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। 

তিনি আরো বলেন, চাঁদাবাজি বন্ধ করে জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। এটা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সরকার ব্যর্থ হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে এবং চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারকে বাধ্য করা হবে। একই সঙ্গে আমরা দেশবাসীকে ন্যায় ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবিতে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘চাঁদাবাজিকে বৈধতা দেওয়ার’ বক্তব্যে উদ্বেগ জামায়াতের

মাতৃভাষা দিবসে বাংলায় ভিডিও বার্তা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

‘দুর্নীতি করবো না, কাউকে করতেও দেব না’

ভাষাশহীদদের স্মরণে ক্রিকেটারদের শ্রদ্ধা

যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

ইরানে সামরিক হামলা হবে বিশ্বের জন্য বিপর্যয়কর: আরাগচি