ভিডিও রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২

প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:১৫ রাত

জয়পুরহাটের বাইপাস সড়ক যেন এক মৃত্যু ফাঁদ

জয়পুরহাটের বাইপাস সড়ক যেন এক মৃত্যু ফাঁদ। ছবি : দৈনিক করতোয়া

জয়পুরহাট  জেলা প্রতিনিধি : দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় জয়পুরহাট শহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দক্ষিণ বাইপাস সড়কটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। শহরের কেন্দ্রিয় মসজিদ থেকে তেঘর রেলগেট হয়ে দেবিপুর কড়াই ফ্যাক্টরি পর্যন্ত দুই কিলোমিটারের সড়কের পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে। খোয়া ও পিচ উঠে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আর ওই গর্তে পড়ে প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ছে সব ধরণের যানবাহন। অথচ শহরের চাপ কমাতে বাইপাস এ সড়কটি যানজট নিরসনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে আসছে।  
জানা গেছে, জয়পুরহাট জেলার দক্ষিণ অংশের মানুষদের জেলা শহরে সহজে যাতায়াতের জন্য জয়পুরহাট-আক্কেলপুর সড়কের সংযোগস্থল দেবিপুর কড়াই ফ্যাক্টরি থেকে তেঘর রেলগেট হয়ে কেন্দ্রিয় মসজিদ পর্যন্ত দুই কিলোমিটার সড়ক নির্মান করা হয়। সড়কটি জেলায় দ্বিতীয় বাইপাস সড়ক হিসেবে পরিচিত। যার দৈর্ঘ্য দুই দশমিক এক কিলোমিটার।

দৈর্ঘ্যে ছোট হলেও সড়কটির গুরুত্ব অনেক বেশি। প্রতিদিন এই সড়কে শত শত যানবাহন চলাচল করে। বিশেষ করে জেলার সবচে বড় ‘নতুন হাটে’ যে গরু বেচা-কেনা হয় তার অধিকাংশই ট্রাকযোগে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে। এ ছাড়া বিভিন্ন পণ্যবোঝাই ট্রাক ও বালুর ট্রাক্টরগুলোও এ সড়ক পথেই শহরকে বাইপাস করে চলাচল করে।

কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পুড়ো সড়কটিই খানা-খন্দে ভরা। জায়গায় জায়গায় বড় গর্তের কারণে হেলে-দুলে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে পণ্য বোঝায় ট্রাক ও অন্য যানবাহন চলাচল করছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কটি দীর্ঘদিন থেকে ভাঙ্গাচুড়া অবস্থায় থাকায় রিক্সা, অটোরিক্সা ও অটো ভ্যান চলাচলও করে না। ফলে ওই এলাকার শিক্ষার্থীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। এ অবস্থায় জয়পুরহাট পৌরসভা লাইটিং ও ড্রেন নির্মাণের পাশাপাশি সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়ে গত বছরের জুন মাসে দরপত্র আহবান করে।

আরও পড়ুন

৭ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দের ওই দরপত্রে কাজ পায় মাহমুদা কন্সট্রাকশন নামের ঢাকার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর তাদের কার্যাদেশও দেওয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কাজটি শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু মূল কাজ এখনো শুরুই করেনি ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ অবস্থায় দ্রুত কাজ শুরুর জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে পর পর তিনটি তাগিদ পত্রও দেওয়া হয়েছে। তারপরও সড়কটির সংস্কারের কাজ শুরু হয়নি।

এ বিষয়ে মাহমুদা কনস্ট্রাকশনের মালিক ঠিকাদার গাজী আবু জাফরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সড়কটিতে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে। তবে সড়কের মূল কাজ এখনো শুরু হয়নি। নির্বাচনের পর কাজ শুরু হবে। আশা করছি দরপত্রে উল্লেখিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে।

জয়পুরহাট পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী, হুমায়ন কবীর বলেন, ‘কাজ শুরু না হওয়ায় কাজের অগ্রগতি জানাতে ঠিকাদারকে পর পর তিনবার তাগিদ পত্র পাঠানো হয়েছে। তবে দ্রুত কাজ শুরুর জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জয়পুরহাটের বাইপাস সড়ক যেন এক মৃত্যু ফাঁদ

ইইউ’র সঙ্গে দ্রুত এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

সহকর্মীদের জন্য মাতৃত্বকালীন-পরবর্তী সাপোর্ট প্রোগ্রাম চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়ায় ২৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

গোল্ড’স জিম বাংলাদেশে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মিলনমেলা

টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট থেকে ড্যাফোডিল গ্রুপের পরিচালক: মেধার অনন্য স্বীকৃতি পেলেন সামিহা খান